Published : 09 Jul 2025, 05:06 PM
আড়াই মাস পর ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের প্রধান সূচক ৫ হাজার পয়েন্ট ছাড়াল; সেইসঙ্গে বাড়ল লেনদেনের পরিমাণ।
বুধবার ৪ হাজার ৯৮১ পয়েন্ট নিয়ে লেনদেন শুরু করে এ বাজারের প্রধান সূচক ডিএসইএক্স ৫ হাজার ৩৫ দশমিক ৪৬ পয়েন্টে থেমেছে। দিন শেষে সূচকে যোগ হয়েছে ৫৩ দশমিক ৮২ পয়েন্ট।
তারল্য সংকট ও নানা বিতর্কের মধ্যে দিয়ে দীর্ঘমেয়াদী পতনের ধারায় চলতে থাকা পুঁজিবাজারে লেনদেন ও সূচকে উল্লম্ফন দেখা দেয় গতবছর অগাস্টের প্রথম সপ্তাহে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর।
১১ অগাস্ট লেনদেন ওঠে দুই হাজার টাকায়। সূচকও ৬ হাজার ১৫ পয়েন্টে পৌঁছায়। এরপর দুই মাস সূচক সাড়ে ৫ হাজার পয়েন্টের উপরেই ছিল। এ বছর ২৪ এপ্রিল তা ৫ হাজার পয়েন্টের নিচে নেমে যায়।
তখন থেকে সূচক ৫ হাজার পয়েন্টের নিচেই ছিল। সপ্তাহখানেক আগে থেকে সূচক আবার বাড়তে শুরু করে। বুধবার তা ৫ হাজার পয়েন্ট অতিক্রম করে।
এদিন লেনদেনে আসা ৩৯৭টি কোম্পানির মধ্যে ২৭৩টির দর বেড়েছে। দর কমেছে ৮৭টি কোম্পানির শেয়ারের। আগের দরে হাতবদল হয়েছে ৪৬টি।
ডিএসইতে মোট ৬৯০ কোটি ৬২ লাখ টাকার শেয়ার হাতবদল হয়েছে। আগের দিন যা ছিল ৬০১ কোটি ৭৫ লাখ টাকা।
আগের দিনের মত লেনদেনে শীর্ষে ছিল ব্যাংক, ওষুধ ও রসায়ন খাত। বস্ত্র খাতকে পেছনে ফেলে তৃতীয় অবস্থানে চলে এসেছে প্রকৌশল খাতের কোম্পানি।
ডিএসই তথ্য অনুযায়ী, একক খাত হিসেবে ব্যাংক খাতে সর্বোচ্চ ১১০ কোটি ৫১ লাখ টাকার শেয়ার হাতবদল হয়েছে এদিন।
দ্বিতীয় অবস্থানে ওষুধ ও রসায়ন খাতের অবদান ছিল ৮৭ কোটি ৪৭ লাখ টাকা এবং প্রকৌশল খাত অবদান রাখে ৬৫ কোটি ৯৬ লাখ টাকা।
দিন শেষে ক্লোজিং প্রাইস বিবেচনায় ডিএসইতে শেয়ার দর বৃদ্ধিতে শীর্ষে উঠে আসে রহিম টেক্সটাইল মিলস, ন্যাশনাল লাইফ ইন্স্যুরেন্স ও শার্প ইন্ডাস্ট্রিজ।
অন্যদিকে দর হারানোর শীর্ষে চলে ছিল এসইএমএল লেকচার ইক্যুইটি ম্যানেজমেন্ট ফান্ড, ইয়াকিন পলিমার ও এক্সপ্রেস ইন্স্যুরেন্স।