Published : 23 Jun 2025, 02:32 PM
পুঁজিবাজারে বিনিয়োগকারীদের বিও হিসাবের (বেনিফিশিয়ারি ওনার্স অ্যাকাউন্ট) বার্ষিক রক্ষণাবেক্ষণ মাশুল এক ধাক্কায় ৩০০ টাকা কমাতে চায় বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)।
সেজন্য জনমত জানতে চেয়ে ওয়েবসাইটে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে পুঁজিবাজারের এই নিয়ন্ত্রক সংস্থা। আগামী দুয়েকদিনের মধ্যে দুটি জাতীয় পত্রিকায় এ বিষয়ে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হবে বলেও জানিয়েছেন বিএসইসি মুখপাত্র ও পরিচালক আবুল কালাম।
সোমবার বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে তিনি বলেন, “মাশুল কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিএসইসি। আইনি বিষয় হওয়ায় বিএসইসি এককভাবে এ সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করার এখতিয়ার রাখে না। জনমত যাচাইয়ের পর আপত্তি না থাকলে গেজেট প্রকাশ হলে আগামী অর্থবছর থেকে নতুন ফি কার্যকর হবে।”
নিয়ম অনুযায়ী প্রতি অর্থবছরের শুরুতেই বিও হিসাব সংরক্ষণাবেক্ষণের মাশুল আগাম কেটে নেয় নিয়ন্ত্রক সংস্থা। ব্রোকারেজ হাউজগুলো বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে আগাম কেটে নিয়ে ওই ফি নিয়ন্ত্রক সংস্থার কাছে জমা দেয়।
বতর্মানে প্রতি বিও হিসাবের বিপরীতে বার্ষিক মাশুল ৪৫০ টাকা। এর মধ্যে সিডিবিএল নেয় ১০০ টাকা, বিএসইসি নেয় ৫০ টাকা। ব্রোকারেজ হাউজ পায় ১০০ টাকা। আর ২০০ টাকা সরকারি কোষাগারে যায়।
গত ২৭ মে মাশুল কমিয়ে ১৫০ টাকা করার সিদ্ধান্ত নেয় কমিশন। তবে ওই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের আগে নতুন আদেশ দিতে হবে নিয়ন্ত্রক সংস্থাকে।
ওয়েবসাইটে দেওয়া জনমত যাচাইয়ের প্রস্তাবে বলা হয়, ১৫০ টাকা মাশুলের মধ্যে ডিপোজিটরি ১০০ টাকা নেবে অবশিষ্ট ৫০ টাকা কমিশনকে জমা দিবে।
কমিশনের আইনি বিষয়ে সংশোধন, পরিমার্জন বা বিয়োজন করতে জনমত ও অংশীজনদের মতামত নিতে হয়। সেজন্য বিষয়গুলো সংবাদ মাধ্যম ও বিএসইসির ওয়েবসাইটে প্রকাশ করার বাধ্যবাধকতা আছে বিএসইসির।
এ বিষয়ে যে কেউ পক্ষে, বিপক্ষে বা নতুন কোনো পরামর্শ থাকলে জানাতে পারে। কোনো বিষয়ে আপত্তি এলে তার ব্যখ্যা দিতে হয় কমিশনকে।
জনমত যাচাই প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলে পরে তা আইন মন্ত্রণালয়ে ভেটিংয়ে যাবে। সেই ধাপ শেষে গেজেট আকারে প্রকাশ করতে পারবে নিয়ন্ত্রক সংস্থা।