Published : 17 Jun 2026, 09:09 PM
বিশ্বকাপের অভিষেক ম্যাচ। সেখানেই জোড়া গোল করে দলের জয়ের নায়ক হয়ে ওঠা। ইরাকের বিপক্ষে ম্যাচে মুঠোভরে পেলেন আর্লিং হলান্ড। এত প্রাপ্তিযোগ একসাথে হওয়ায় যেন ঘোরলাগা অনুভূতি কাজ করছে তার মনে। ম্যাচ শেষের প্রতিক্রিয়ায় নরওয়ের এই ফরোয়ার্ড বললেন, অবিশ্বাস্য গর্ব অনুভব করছেন তিনি।
২৮ বছর পর উত্তর আমেরিকা বিশ্বকাপ দিয়ে বিশ্বমঞ্চে ফিরেছে নরওয়ে। ইরাককে ৪-১ গোলে হারিয়ে ‘আই’ গ্রুপে দুর্দান্ত শুরু পেয়েছে দলটি।
গোলের জন্য ‘গোলমেশিন’ হলান্ডের খুব বেশি সময়ও লাগেনি। ২০তম মিনিটে ভালো একটি সুযোগ নষ্টের পর, প্রথম ‘কুলিং ব্রেক’ শেষেই স্লাইডে ইরাকের জাল খুঁজে নেন তিনি। সেসময় স্টেডিয়ামের ঢাউস পর্দায় ভেসে ওঠে তার মুখে।
দ্বিতীয় গোলটি তিনি করেন কিছুটা ভাগ্যের সহায়তায়। ব্যাক পাস ক্লিয়ার করতে দেরি করে ফেলেন ইরাকের গোলরক্ষক জালাল হাসান। ছুটে গিয়ে বলে আলতো একটা টোকা দেন হলান্ড এবং সেই মুহূর্তে শট নেন জালালও। ফলাফল, বল হলান্ডের পায়ে লেগে জালে জড়ায়। প্রাপ্তিতে ভরা ম্যাচের অনুভূতি জানাতে গিয়ে, দুই গোলের মধ্যে দ্বিতীয়টিকে এগিয়ে রাখলেন এই ফরোয়ার্ড।
“আমার মনে হয়, অধিকাংশ মানুষই স্টেডিয়ামের বড় পর্দায় দেখেছে, আমার অনুভূতিটা কেমন ছিল। তো, আমার মনে হয় না, এ নিয়ে মানুষকে বেশি কিছু বলার আছে আমার! দারুণ অনুভব করছি। অবশ্যই আমি গর্বিত। বিশ্বকাপে প্রথম খেলতে পেরে, ২৮ বছর পর প্রথম বিশ্বকাপ খেলা নরওয়েকে জেতাতে পেরে অবিশ্বাস্য গর্ব অনুভব করছি।”
“আমার প্রথম গোলটা ছিল দারুণ। এমনকি, দ্বিতীয় গোলটি ছিল আরও চমৎকার। এটা অসাধারণ এবং দারুণ শুরু করতে পেরে আমি সবাইকে নিয়ে গর্বিত। জয়ের প্রত্যাশা ছিল আমাদের এবং সৌভাগ্যবশত, আমরা জিতেছি। এখন নরওয়ের সবাই খুশি হবে এবং আশা করি, তারা পার্টিও করবে!”
এ নিয়ে জাতীয় দলের হয়ে ৫১ ম্যাচে হলান্ডের গোল হলো ৫৭টি। এর মধ্যে ৫১টিই তিনি করলেন বর্তমান কোচ স্তল সুলবাকেনের সময়ে। কোচের সাথে দারুণ সম্পর্কের কথাও বললেন ২৫ বছর বয়সী এই ফরোয়ার্ড।
“প্রথমত, আমাদের সম্পর্ক ভালো। তিনি জাতীয় দলের দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে সেটা আপনারা দেখে আসছেন। আমাদের মধ্যে ভালো একটি সম্পর্ক গড়ে উঠেছে এবং আমরা মাঠে ভালো পারফরম করছি। এটাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।”