তারকাখচিত ব্রাজিল দলে সুযোগ পেয়ে ‘বিস্মিত’ মার্তিনেল্লি
জোয়াও পেদ্রোর চোটে হঠাৎ পাওয়া সুযোগ কাজে লাগাতে উন্মুখ তরুণ এই মিডফিল্ডার।
এশিয়া সফরের ব্রাজিল দলে সুযোগ পাওয়া মার্তিনেল্লির জন্য যেন কল্পনাতীত। ভাগ্যের এখানে আছে স্পষ্ট ছোঁয়া, জুয়াও পেদ্রো চোট না পেলে হয়তো দলে আসতেই পারতেন না ২৪ বছর বয়সী এই মিডফিল্ডার। হঠাৎ পাওয়া সুযোগ কাজে লাগিয়ে দলে নিয়মিত হতে উন্মুখ ফ্লুমিনেন্সির এই ফুটবলার।
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ১-১ ড্র হওয়া প্রথম ম্যাচে খেলার সুযোগ পাননি মার্তিনেল্লি। মঙ্গলবারের পরের ম্যাচে কিংবা ভারতে মাঠে নামার ব্যাপারে আশাবাদী তিনি। নিজেকে প্রস্তুত রাখছেন মাঠে সবটুকু দিয়ে লড়াই করার জন্য।
সিবিএফের সঙ্গে সাক্ষাৎকারে মার্তিনেল্লি বললেন, জাতীয় দলের আবহ কতটা ছুঁয়ে গেছে তাকে।
“সব খেলোয়াড়ই জাতীয় দলের হয়ে খেলতে চায়। এই সুযোগের জন্য আমি ঈশ্বরকে ধন্যবাদ দিতে চাই। কোচ ও অন্য স্টাফদেরও ধন্যবাদ দিতে চাই। এখানে অতিক্রান্ত প্রতিটি দিন আমি পুরোপুরি উপভোগ করছি। গভীরভাবে নিমগ্ন হয়ে আছি, কারণ আমরা জানি এখানে থাকা কতটা কঠিন। আমাদের নিজেদের ভাগ্যবান ভাবতে হবে এবং জাতীয় দলের জন্য নিজেদের উজাড় করে দিতে হবে।”
চোটের জন্য পেদ্রো ছিটকে যাওয়ায় সুযোগ মেলে মার্তিনেল্লির। জাতীয় দলে ডাক পাওয়ার খবর শুনে ফ্লুমেনেন্সি সতীর্থ চিয়াগো সিলভার সঙ্গে কথা বলেন তিনি। এসি মিলান ও পিএসজিতে কার্লো আনচেলত্তিকে কোচ হিসেবে পেয়েছিলেন ব্রাজিলের সাবেক অধিনায়ক সিলভা। সিলভার সঙ্গে সেই আলোচনা বেশ কাজে লাগছে মার্তিনেল্লির।
“যে সব শিরোপা তিনি জিতেছেন এবং যে সব দলকে কোচিং করিয়েছেন, তাতে আমরা জানি যে আমাদের কোচ খুব অভিজ্ঞ একজন কোচ। দুর্ভাগ্যজনকভাবে জুয়াও পেদ্রো চোট পেল, এরপর আমি ডাক পেলাম, এতে আমি খুশি। পরদিন আমি চিয়াগোর সঙ্গে কথা বললাম, তিনি কোচের সঙ্গে মিলানে কাজ করেছিলেন। চিয়াগো আমার সঙ্গে কথা বললেন এবং কিছু ব্যাপার জানালেন। এই মুহূর্ত আমার ক্যারিয়ারের জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ এবং আমি আশা করি, কোচ এবং জাতীয় দলে আমার সতীর্থদের সাহায্য করতে পারব।”
