‘হলান্ড মানুষ নয়’

আর্লিং হলান্ডের অসাধারণ ধারাবাহিকতায় মুগ্ধ এফসি কোপেনহেগের গোলকিপার কামিল গ্রাবারা।

স্পোর্টস ডেস্কবিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
Published : 6 Oct 2022, 05:35 AM
Updated : 6 Oct 2022, 05:35 AM

মাঠে নামলেই গোল। একের পর এক রেকর্ড। ম্যাচের পর ম্যাচ অবিশ্বাস্য ধারাবাহিকতা। ম্যানচেস্টার সিটিতে যোগ দেওয়ার পর আর্লিং হলান্ডের গোলের রথ ছুটছে অপ্রতিরোধ্য গতিতে। তার এই অতিমানবীয় পারফরম্যান্সে অনেকের মনেই যে ভাবনা উঁকি দিচ্ছে, সেটিই উঠে এলো প্রতিপক্ষের একজনের কণ্ঠে। হলান্ডের সতীর্থ জ্যাক গ্রিলিশের কাছে এফসি কোপেনহেগেনের গোলকিপার কামিল গ্রাবারার মুগ্ধতার প্রকাশ, হলান্ড আসলে মানুষ নয়।

হলান্ডের সেই অতিমানবীয় রূপ বুধবার কাছ থেকেই দেখেন গ্রাবারা। কোপেনহেগেনের বিপক্ষে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের প্রথমার্ধেই দুটি গোল করেন ম্যানচেস্টার সিটির ফরোয়ার্ড। দ্বিতীয়ার্ধে আর তাকে নামাননি কোচ পেপ গুয়ার্দিওলা। ইংলিশ চ্যাম্পিয়নরা তবু জিতে যায় ৫-০ গোলে।

গত রোববার ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে ম্যানচেস্টার ডার্বিতে হ্যাটট্রিক করেন হলান্ড। এরপর চ্যাম্পিয়ন্স লিগে এমন পারফরম্যান্স। চলতি মৌসুমে সব মিলিয়ে ১২ ম্যাচেই তার গোল হয়ে গেল ১৯টি। চ্যাম্পিয়ন্স লিগে তিন ম্যাচে গোল পেলেন সবকটিতেই।

হলান্ডের এই পারফরম্যান্সে বিশ্বাস-অবিশ্বাসের দোলা খোদ নিজেদের দলেই। গ্রিলিশ যেমন বিশ্বাসই করতে পারছেন না এমন ফর্ম। তিনি শোনালেন প্রতিপক্ষের গোলকিপারের গল্পও, গোল হজমের হতাশার চেয়ে যার কিনা হলান্ডকে নিয়ে বিস্ময়ই বেশি। 

“এটা অবিশ্বাস্য… সত্যিই। আমার জীবনে কখনও এরকম কিছু দেখিনি। ওর (হলান্ড) প্রথম ও দ্বিতীয় গোলের পর আমি স্রেফ হাসছিলাম। সে সবসময় জায়গামতো থাকে।”

“আমি যখন ফিরে আসছিলাম, ওদের গোলকিপার হলান্ডকে নিয়ে বলল, ‘এই লোকটা… সে মানুষ নয়।’ আমি বললাম, ‘আমাকে বলছো!’ আশা করি সে এই ফর্ম ধরে রাখতে পারবে এবং আমাদের জন্য গৌরব বয়ে আনবে।”

গ্রাবারা দারুণ কয়েকটি সেভ না করলে সিটির জয়ের ব্যবধান বাড়তে পারত আরও। হলান্ডকে তুলে না নিলে হয়তো হ্যাটট্রিকও করে ফেলতে পারতেন। ম্যাচের পর ম্যানচেস্টার সিটি কোচ পেপ গুয়ার্দিওলা জানালেন হলান্ডকে দ্বিতীয়ার্ধে না খেলানোর কারণ।

“সে টানা খেলে চলেছে। অনেক সময় কাটিয়েছে মাঠে। ম্যাচ আমাদের নিয়ন্ত্রণে ছিল। যদি ম্যাচ আঁটসাঁট হতো, তাহলে সে খেলে যেত। কিন্তু শনিবার সাউথ্যাম্পটনের বিপক্ষে ম্যাচের আগে তার বিশ্রাম বেশি জরুরি ছিল।”

তৌফিক ইমরোজ খালিদী
প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক