১০ জনের দল নিয়ে আবাহনীর প্রথম জয়
শেষ দিকে ম্যাচের ভাগ্য গড়ে দেন কর্নেলিয়াস স্টুয়ার্ট।
প্রথমার্ধেই ১০ জনের দলে পরিণত হলো আবাহনী। অবশ্য এক জন কম নিয়েও তারা বাকি সময়ে খেলল কার্যকরী ফুটবল। শেখ জামাল ধানমণ্ডি ক্লাবকে হারিয়ে চলতি প্রিমিয়ার লিগে প্রথম জয় তুলে নিল রেকর্ড ছয়বারের চ্যাম্পিয়নরা।
গোপালগঞ্জের শেখ ফজলুল হক মনি স্টেডিয়ামে শুক্রবার ১-০ গোলে জিতেছে আবাহনী। শেষ দিকে ব্যবধান গড়ে দেন কর্নেলিয়াস স্টুয়ার্ট।
প্রায় দুই সপ্তাহের বিরতির পর মাঠে ফিরল লিগ। আগের দুই রাউন্ডে আবাহনী ছিল জয়হীন। রহমতগঞ্জ মুসলিম ফ্রেন্ডস অ্যান্ড সোসাইটির বিপক্ষে ড্রয়ে লিগ শুরু করে আন্দ্রেয়াস ক্রুসিয়ানির দল পরের ম্যাচে ফর্টিস এফসির বিপক্ষে হেরেছিল ১-০ গোলে।
গোপালগঞ্জে শুরু থেকে দুই দলই আক্রমণাত্মক খেলার চেষ্টা করতে থাকে। ত্রয়োদশ মিনিটে প্রথম ভালো সুযোগ পায় শেখ জামাল। ইগর লেইতের ফ্রি কিকে বল বক্সে ড্রপ খেয়ে ওপরে ওঠার পর হেড করেন শোখরুকবেক খোলমাতোভ; তবে গোলরক্ষক শহীদুল আলম সোহেল ছিলেন প্রস্তুত, বল গ্লাভসে জমান তিনি।
সপ্তদশ মিনিটে কর্নেলিয়াস গোলরক্ষককে একা পেয়ে যান; কিন্তু আবাহনীর এই ফরোয়ার্ড শট নেওয়ার আগেই পেছন থেকে দারুণ স্লাইডে কর্নারের বিনিময়ে বিপদমুক্ত করেন শাকিল আহমেদ।
৩৮তম মিনিটে রিয়াদুল হাসান রাফি লাল কার্ড দেখেন। বল তার পা গলে বেরিয়ে গেলে পেছন থেকে ছুটে এসে নিয়ন্ত্রণ নেন ফয়সাল আহমেদ ফাহিম। তাকেই পেছন থেকে ফাউল করে বহিষ্কার রাফি। বক্সের ঠিক ওপর থেকে ইগর লেইতের ফ্রি কিক রক্ষণ দেয়ালে প্রতিহত হলে স্বস্তির সমতা নিয়ে বিরতিতে যায় আবাহনী।
দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে সুবর্ণ সুযোগ পায় আবাহনী। এমেকার ক্রস সবাইকে ফাঁকি দিয়ে খুঁজে নেয় মেহেদী হাসান রয়েলকে, কিন্তু গোলমুখ থেকে এই ফরোয়ার্ড বাইরে মেরে বসেন বিস্ময়করভাবে।
শেখ জামালের দমে যাওয়ার সুযোগ কাজে লাগিয়ে ৮৭তম মিনিটে এগিয়ে যায় আবাহনী। জোনাথনের রক্ষণচেরা পাস ধরে বক্সে ঢুকে পড়েন কর্নেলিয়াস; কাছের পোস্ট দিয়ে দারুণ শটে গোলটি করেন সেন্ট ভিনসেন্টের এই ফরোয়ার্ড।
তিন ম্যাচে একটি করে জয় ও ড্রয়ে ৪ পয়েন্ট আবাহনীর। তিন ম্যাচে দ্বিতীয় হারের তেতো স্বাদ পাওয়া শেখ জামালের পয়েন্ট ৩।
