১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩ আশ্বিন ১৪৩৩

টাইব্রেকারে ব‍্যর্থ হ্যারিংটনের পাশে ইব্রাহিমোভিচ

মিশরের বিপক্ষে টাইব্রেকারে লক্ষ্যভেদ করতে না পারা অস্ট্রেলিয়ার এই তরুণ ডিফেন্ডারের সাহসের প্রশংসা করলেন সাবেক সুইডিশ তারকা।

টাইব্রেকারে ব‍্যর্থ হ্যারিংটনের পাশে ইব্রাহিমোভিচ
টাইব্রেকারে গোল করতে না পেরে হতাশ লুকাস হ্যারিংটন। ছবি: রয়টার্স

স্পোর্টস ডেস্ক

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 04 Jul 2026, 06:24 PM

Updated : 11 Sep 2026, 03:34 PM

অনুশীলন করেছিলেন আঁটঘাট বেঁধে, আত্মবিশ্বাসীও ছিলেন, কিন্তু লুকাস হ্যারিংটন পারলেন না। টাইব্রেকারে অস্ট্রেলিয়ার এই ডিফেন্ডারের শট কাঁপাল ক্রসবার। শেষ পর্যন্ত হেরে, উত্তর আমেরিকা বিশ্বকাপ থেকে ছিটকে গেল অস্ট্রেলিয়া। টাইব্রেকারে মিস করে মুষড়ে পড়া হ্যারিংটনের পাশে দাঁড়ালেন জ্লাতান ইব্রাহিমোভিচ। বললেন, যে কোনো প্রয়োজনে তার দুয়ার খোলা থাকবে হ্যারিংটনের জন্য।

ডালাসে শুক্রবার বাংলাদেশ সময় রাত ১২টায় শেষ বত্রিশের মিশরের মুখোমুখি হয় অস্ট্রেলিয়া। নির্ধারিত অতিরিক্ত সময়ে - সমতার পর, টাইব্রেকারে - গোলে হেরে যায় অস্ট্রেলিয়া।

এতে নকআউটে জয়ের অপেক্ষা বাড়ল দলটির। এর আগে দুইবার শেষ ষোলোয় হেরেছিল তারা- ২০০৬ সালে ইতালির বিপক্ষে - গোলে ২০২২ সালে আর্জেন্টিনার কাছে - গোলে।

টাইব্রেকারে হ্যারিংটন ছাড়াও ব‍্যর্থ হন অস্ট্রেলিয়ার হ্যারি সুটার। ফক্স- বিশ্লেষক হিসেবে কাজ করা ইব্রাহিমোভিচ অনুভব করতে পারছেন হ্যারিংটনের হতাশা। তবে, ১৮ বছর বয়সী এই তরুণকে সাহসই জোগালেন তিনি।

পেনাল্টি লটারির মতো। যদি আপনি লক্ষ্যভেদ করতে পারেন, তাহলে বনে যাবেন হিরো, না পারলে, দুঃখজনকভাবে আপনি জিরো।

আমি শুধু হ্যারিংটনকে বলতে চাই, তুমি সবে ১৮ বছর বয়সী, তরুণ, এটা স্রেফ তোমার ক্যারিয়ারের শুরু। তুমি সেখানে গিয়েছিল, অনেক সাহস দেখিয়েছ, সবাই যেটা পারে না। বন্ধু, তুমিই সেরা, বাকিদের কথা কানে তুলো না। কিন্তু শোনো, যদি সহযোগিতা চাও, আমি আছি।

মিশরের বিপক্ষে ম্যাচে অস্ট্রেলিয়ার শুরুর একাদশে থাকা ছয় জনের বয়স ছিল ২৩ বছরের মত।

ইব্রাহিমোভিচের বার্তা পেয়ে দারুণ খুশি হ্যারিংটন। তবে, পেনাল্টি মিস করার হতাশায় যে এখনও তিনি পুড়ছেন, তা আড়াল করলেন না।

সম্ভবত আমিই প্রথম ব্যক্তি যে, নিজেকে কষ্ট দিচ্ছি এবং নিজের প্রতি কঠোর হচ্ছি (ওই মিসের কারণে) তবে, একজন কিংবদন্তির কাছ থেকে এই কথাগুলো শোনা অনেক বড় ব্যাপার।

আমার মনে হয়, অনেক মানুষ ভাবছে, আমি কেন শট নিতে গিয়েছিলাম। কোচিং স্টাফরা আমরা পাশে ছিল-তারা আমার উপর বিশ্বাস রেখেছিল। সপ্তাহজুড়ে পেনাল্টি অনুশীলন করেছিলাম। আত্মবিশ্বাসী ছিলাম। তো আমি জানতাম, কোথায় শটটা নিতে চাই। নিয়ম অনুযায়ী সেভাবেই নিয়েছিলাম, কিন্তু দুর্ভাগ্যজনকভাবে, তা আমার পক্ষে গেল না।