Published : 11 Sep 2026, 03:10 AM
প্রথমার্ধে ফিনিশিংয়ে ভুগল বায়ার্ন মিউনিখ। চমৎকার সেভ করে তাদের অপেক্ষা বাড়ালেন নিকিতা হাইকিন। বিরতির পর আর মাঠে নামতে পারলেন না এই গোলরক্ষক। খেই হারাল বোদো/গ্লিম্ট। আক্রমণাত্মক ফুটবলের পসরা সাজিয়ে জয় দিয়ে চ্যাম্পিয়ন্স লিগে যাত্রা শুরু করল ভেসোঁ কম্পানির দল।
ঘরের মাঠে বৃহস্পতিবার ৫-০ গোলে জিতেছে বায়ার্ন। জার্মান চ্যাম্পিয়নদের হয়ে জোড়া গোল করেছেন মাইকেল ওলিসে। জালের দেখা পেয়েছেন হ্যারি কেইন, জামাল মুসিয়ালা ও আলফুঁস ডেভিস।
ম্যাচের শেষ কয়েক মিনিট সফরকারীরা খেলে ১০ জন নিয়ে। তেমন একটা সুযোগ তৈরি করতে পারেনি তারা।
পঞ্চম মিনিটে প্রথম সুযোগ পায় বায়ার্ন। জসুয়া কিমিখের ক্রসে খুব কাছ থেকে লুইস দিয়াসের হেড কর্নারের বিনিময়ে রক্ষা করেন বোদো/গ্লিমট গোলরক্ষক হাইকিন।
ছয় মিনিট পর শট লক্ষ্যে রাখেন কেইন। তবে বায়ার্নের ইংলিশ স্ট্রাইকারের শট জোর ছিল না তেমন। সহজেই ফেরান গোলরক্ষক।
২২তম মিনিটে গোলরক্ষক মানুয়েল নয়ারকে ব্যাক পাস দিতে গিয়ে বিপদ প্রায় ডেকে এনেছিলেন দাইয়ু উপামেকানো। তবে ভাগ্য ভালো এই ফরাসি ডিফেন্ডারের, তার শট বেরিয়ে যায় দূরের পোস্টের কাছ ঘেঁষে।
৩৪তম মিনিটে ডি বক্সের বাইরে থেকে কিমিখের গতিময় শট ফেরে পোস্টে লেগে। সাত মিনিট পর তার শট গোললাইন থেকে ফেরান হাইকিন।
নতুন গোলরক্ষক নিয়ে দ্বিতীয়ার্ধ শুরু করে বোদো/গ্লিমট এবং ৪৭তম মিনিটে পিছিয়ে পড়ে তারা। কেইনের শট একজনের পায়ে লাগলে ডি বক্সে বল পেয়ে যান মুসিয়ালা। প্রথম স্পর্শ জাল খুঁজে নেন তিনি।
৫৮তম মিনিটে দূরের পোস্টে ক্রস পেয়ে একটুর জন্য শট লক্ষ্যে রাখতে পারেননি কেইন। নষ্ট হয় আরেকটি সুযোগ।
তিন মিনিট পরেই গোলের জন্য ইংল্যান্ড অধিনায়কের অপেক্ষা ফুরায়। ওলিসের নিখুঁত ফ্রি কিকে চমৎকার হেডে জাল খুঁজে নেন ছন্দে থাকা স্ট্রাইকার। বায়ার্নের হয়ে চ্যাম্পিয়ন্স লিগে ৩৯ ম্যাচে তিনি করলেন ৩৪ গোল।
৬৬তম মিনিটে কিমিখ মাঝমাঠে বল হারালে দূরপাল্লার শট নেন আন্দ্রেয়াস হেলমেরসেন। লাইন ছেড়ে বেশ এগিয়ে থাকা নয়ার হয়তো বলের নাগাল পেতেন না। তবে তার ভাগ্য ভালো, বল বেরিয়ে যায় পোস্ট ঘেঁষে।
দুই মিনিট পর ডি বক্সের ভেতর থেকে সুযোগ কাজে লাগাতে পারেননি দিয়াস ও ইসমায়েল সাইবারি।
৭৭তম মিনিটে ব্যবধান আরও বাড়ান ডেভিস। কর্নারের পর ডি বক্সের বাইরে বল পান তিনি। গতিময় শটে জাল খুঁজে কানাডিয়ান ডিফেন্ডার। কিছুই করার ছিল না গোলরক্ষকের।
ছয় মিনিট পর চমৎকার গোলে স্কোরলাইন ৪-০ করে ফেলেন ওলিসে। ডি বক্সের বাইরে বল পেয়ে কাছের পোস্ট দিয়ে বুলেট গতির শটে ঠিকানা খুঁজে নেন ফরাসি ফরোয়ার্ড।
৮৭তম মিনিটে ১০ জনের দলে পরিণত হয় বোদো/গ্লিমট। কেইনকে ফাউল করায় লাল কার্ড দেখেন ওডিন বিয়োরটাফট।
যোগ করা সময়ের দ্বিতীয় মিনিটে আরেকটি গতিময় শটে নিজের দ্বিতীয় ও দলের পঞ্চম গোলটি করেন ওলিসে। ঝাঁপিয়ে হাত ছোঁয়ালেও বলের জালে যাওয়া ঠেকাতে পারেননি গোলরক্ষক।
আরও পড়ুন: