১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩ আশ্বিন ১৪৩৩

রেয়ালের বিপক্ষে মরিনিয়োর শেষ মুহূর্তের কৌশলে আতঙ্কিত ছিলেন গুয়ার্দিওলা

তবে শেষ পর্যন্ত সফলতা আসায় বেনফিকা কোচের ওই কৌশলের প্রশংসা করেছেন সিটি কোচ পেপ গুয়ার্দিওলা।

রেয়ালের বিপক্ষে মরিনিয়োর শেষ মুহূর্তের কৌশলে আতঙ্কিত ছিলেন গুয়ার্দিওলা
ম্যানচেস্টার সিটি কোচ পেপ গুয়ার্দিওলা। ছবি: রয়টার্স।

স্পোর্টস ডেস্ক

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 29 Jan 2026, 04:42 PM

Updated : 26 Aug 2026, 02:49 PM

ম্যানচেস্টার সিটির ম্যাচ তখন শেষ। গালাতাসারাইকে হারিয়ে নিজেদের কাজটা সেরে রেখেছে তারা। সেরা আটে জায়গা পেতে ইংলিশ ক্লাবটি তাকিয়ে ছিল রেয়াল মাদ্রিদ-বেনফিকা ম্যাচে। নাটকীয় সেই লড়াইয়ের শেষ কয়েক মিনিট ড্রেসিং রুমে বসে দেখছিলেন সিটির কোচ পেপ গুয়ার্দিওলা। ওই সময় বেনফিকা কোচ জোসে মরিনিয়োর একটি কৌশল বুকে কাঁপন ধরিয়ে দিয়েছিল তার।

রেয়ালের বিপক্ষে ওই মুহূর্তে ৩-২ গোলে এগিয়ে ছিল বেনফিকা। কিন্তু চ্যাম্পিয়ন্স লিগে টিকে থাকতে শুধু জয়ই যথেষ্ট ছিল না পর্তুগিজ ক্লাবটির। প্রয়োজন ছিল আরেকটি গোল। যোগ করা সময়ের অষ্টম মিনিটে একটি ফ্রি কিক পায় তারা। দলের সবাই উঠে যায় রেয়ালের বক্সে। মরিয়া চেষ্টায় গোলকিপারও তখন চলে যান প্রতিপক্ষের বক্সে।

পোস্ট খালি রেখে বেনফিকার সবার এভাবে রেয়ালের বক্সে চলে যাওয়ায় আতঙ্কিত হয়ে পড়েন ম্যানচেস্টার সিটির সবাই। কারণ, ওই মুহূর্তে বেনফিকা গোল হজম করলেই যে শেষ ষোলোয় সরাসরি খেলার আশা শেষ হয়ে যেত সিটির, তখন তাদের খেলতে হতো প্লে-অফে।

শেষ পর্যন্ত অবশ্য ওইরকম কিছু হয়নি। ফ্রি কিক থেকে দুর্দান্ত হেডে গোল করে বেনফিকার প্লে-অফে খেলা নিশ্চিত করেন গোলরক্ষক আনাতোলি ত্রুবিন। উল্লাসে মেতে ওঠেন মরিনিয়োসহ পুরো দল। একই সময় সিটির ড্রেসিং রুমে স্বস্তির শ্বাস ফেলেন গুয়ার্দিওলা, অষ্টম হয়ে শেষ ষোলোর টিকেট কাটে সিটি।

পরে গুয়ার্দিওলা অকপটে বলেন, বেনফিকা-রেয়াল ম্যাচের ওই মুহূর্তে সত্যিই শঙ্কিত হয়ে পড়েছিলেন তিনি।

“আমরা সবাই সেখানে (ড্রেসিং রুমে) ছিলাম, বেনফিকার প্লে-অফে খেলতে যে একটা গোল দরকার—এটা আমরা জানতাম না। তাই যখন তাদের গোলরক্ষকও উপরে উঠে গেল, আমরা বলে উঠি, ‘তুমি কেন উঠছো?’ কারণ তখন রেয়াল মাদ্রিদ সমতা ফেরাতে পারত, আর তাতে আমরা (সেরা আট থেকে) ছিটকে যেতাম।”

“কিন্তু চতুর্থ গোলটি করার জন্য জোসের (মরিনিয়ো) কৌশলটা দারুণ ছিল, তাই না!”

পরে গুয়ার্দিওলাকে জিজ্ঞাস করা হয়, পুরনো প্রতিদ্বন্দ্বী মরিনিয়োকে ধন্যবাদ জানাবেন কি-না। সিটি কোচের উত্তর, “হ্যাঁ, অবশ্যই।”

রেয়ালকে ৪-২ গোলে হারিয়ে ২৪তম হয়ে প্লে-অফে জায়গা করে নিয়েছে বেনফিকা। আর ম্যাচটি হেরে নবম হয়ে প্রাথমিক পর্ব শেষ করেছে ইউরোপের সফলতম ক্লাবটি।

পয়েন্ট টেবিলের প্রথম আট দল সরাসরি খেলবে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের শেষ ষোলোয়। ৯ থেকে ২৪ নম্বর দলকে লড়তে হবে দুই লেগের প্লে-অফে।