১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪ আশ্বিন ১৪৩৩

লিভারপুল সমর্থকদের আচরণ অ্যালেকজ্যান্ডার-আর্নল্ডকে কষ্ট দেয়

ইংলিশ ডিফেন্ডার আশাবাদী, তার লিভারপুল ছাড়ার সিদ্ধান্তের কারণ একদিন বুঝতে পারবেন অ্যানফিল্ডের ক্লাবটির সমর্থকরা।

লিভারপুল সমর্থকদের আচরণ অ্যালেকজ্যান্ডার-আর্নল্ডকে কষ্ট দেয়
রেয়াল মাদ্রিদের জার্সিতে অ্যালেকজ্যান্ডার-আর্নল্ড। ছবি: রয়টার্স

স্পোর্টস ডেস্ক

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 23 Aug 2026, 06:41 PM

Updated : 11 Sep 2026, 03:53 PM

রেয়াল মাদ্রিদে ট্রেন্ট অ্যালেকজ্যান্ডার-আর্নল্ড যোগ দেওয়ার পর কেটে গেছে এক বছরের বেশি সময়। কিন্তু এখনও তার প্রতি লিভারপুলের ভক্তদের ক্ষোভ যেন কমেনি। সাবেক ক্লাবের সমর্থকদের কাছ থেকে ‘বাজে আচরণের’ শিকার হওয়ার কথা জানিয়ে ইংলিশ ডিফেন্ডার বলেছেন, এসব তাকে ভীষণ কষ্ট দেয়।

তবে অ্যালেকজ্যান্ডার-আর্নল্ড আশাবাদী, তার লিভারপুল ছাড়ার সিদ্ধান্তের পেছনের কারণ একদিন বুঝতে পারবেন ক্লাবটির সমর্থকরা।

২০২৫ সালের গ্রীষ্মে স্প্যানিশ ক্লাব রেয়ালে যোগ দেন ২৭ বছর বয়সী অ্যালেকজ্যান্ডার-আর্নল্ড। তার এই সিদ্ধান্ত ভালোভাবে মেনে নিতে পারেননি লিভারপুলের সমর্থকরা। মাঠে দুয়োধ্বনি তো শুনেছেনই, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এখনও শিকার হচ্ছেন তিনি বাজে আচরণের।

লিভারপুল ছেড়ে গেলেও, ক্লাবটিকে হৃদয়েই লালন করেন অ্যালেকজ্যান্ডার-আর্নল্ড। মিররকে বলেছেন, এখনও নিজের পুরনো ক্লাবের সবগুলো ম্যাচ দেখেন তিনি।

“লিভারপুল সমর্থকদের দুয়োধ্বনি ও তাদের হতাশা প্রকাশের ধরণ- এসব সামলানোর ক্ষমতা আমার আছে। আমি বিষয়টা বুঝতেও পারি। তবে আশা করি, একদিন তারা আমার জীবন নিয়ে নেওয়া সিদ্ধান্তগুলোর কারণ কিছুটা হলেও বুঝতে পারবে।

“তবে এটা কষ্ট দেয়, কারণ ২০ বছর ধরে আমি ক্লাবটির জন্য অনেক কিছু করেছি এবং ওই সময়ে ক্লাবটির জন্য অনেক ত্যাগ স্বীকার করেছি।”

রেয়াল যোগ দেওয়ার পর গত নভেম্বরে অ্যানফিল্ডে খেলতে যান অ্যালেকজ্যান্ডার-আর্নল্ড। চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ওই ম্যাচে ১-০ গোলে হারে রেয়াল। সেদিন লিভারপুল সমর্থকদের দুয়োধ্বনি শুনতে হয়েছিল তাকে।

তবে মার্সিসাইডে পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে গিয়ে সমর্থকদের কাছ থেকে যে আচরণ পান, সেটার সঙ্গে সেদিনের দুয়োধ্বনি কিংবা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের আচরণের মধ্যে কোনো মিল দেখেন না তিনি।

“ব্যক্তিগতভাবে যাদের সঙ্গে আমার দেখা বা কথা হয়েছে, তাদের আচরণে অনলাইনে বা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পাওয়া সেই সব প্রতিক্রিয়ার কোনো মিল দেখিনি।”

অনলাইনে যেসব আচরণের শিকার হন, সেগুলো অনেক সময়ই সীমা ছাড়িয়ে যায় বলে জানিয়েছেন অ্যালেকজ্যান্ডার-আর্নল্ড।

“আমি এসব বিষয়কে নিজের থেকে দূরে রাখার চেষ্টা করি, কারণ এগুলো আমার কাছে সত্যি মনে হয় না। নিজেকে বুঝাই যে, এগুলো আমার প্রিয় ক্লাব লিভারপুল কিংবা আমার শহরের আসল পরিচয় বহন করে না।

“এটা বলছি না যে, আমার ক্লাবটি ছাড়ার সিদ্ধান্ত লিভারপুলের সবাই মেনে নিয়েছে- অবশ্যই তারা নেয়নি। তবে ফুটবলের গণ্ডি পেরিয়ে যেসব আচরণ করা হচ্ছে, সেটা সম্পূর্ণ ভিন্ন বিষয়।”