২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪ আশ্বিন ১৪৩৩

দুই জায়গায় উন্নতি না হলে জার্মানির ‘বিপদ’ দেখছেন ক্রুস

উত্তর আমেরিকা বিশ্বকাপের নকআউট পর্বের পথচলা শুরুর আগে জার্মানিকে সতর্ক করে দিলেন এই সাবেক মিডফিল্ডার।

দুই জায়গায় উন্নতি না হলে জার্মানির ‘বিপদ’ দেখছেন ক্রুস
টনি ক্রুস। ছবি: রয়টার্স

স্পোর্টস ডেস্ক

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 28 Jun 2026, 07:59 AM

Updated : 11 Sep 2026, 03:31 PM

টানা দুই জয়ের পর একুয়েডরের বিপক্ষের হার দেখিয়ে দিয়েছে জার্মানির দুর্বলতা। দলটির সাবেক মিডফিল্ডার টনি ক্রুস মনে করছেন, নকআউট পর্বের পথচলা শুরুর আগে, দুটি জায়গায় উন্নতি করতেই হবে ইউলিয়ান নাগেলসমানের দলকে। নয়তো, বড় বিপদে পড়বে জার্মানি।

কুরাসাওকে ৭-১ গোলে উড়িয়ে গ্রুপ পর্ব শুরুর পর, আইভরি কোস্টের বিপক্ষে ২-১ ব্যবধানে জয় পায় জার্মানি। গ্রুপের শেষ ম্যাচে তারা ২-১ গোলে হেরে যায় একুয়েডরের বিপক্ষে। ওই ম্যাচে চারবারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়নদের রক্ষণের দুর্বলতা বেরিয়ে আসে।

বস্টনে বাংলাদেশ সময় সোমবার রাত আড়াইটায় শেষ বত্রিশের লড়াইয়ে প্যারাগুয়ের মুখোমুখি হবে জার্মানি। টিকটক লাইভ শো’য়ে সাবেক সতীর্থ লুকাস পডোলস্কির সাথে আলাপে ক্রুস তুলে ধরেন বর্তমান দলের অবস্থা। রক্ষণের উন্নতির পাশাপাশি জামাল মুসিয়ালা, ফ্লোহিয়ান ভিয়েৎসের মতো নির্ভরযোগ্যদের সেরা ছন্দে ফেরা বড্ড প্রয়োজন দেখছেন রেয়াল মাদ্রিদের এই সাবেক মিডফিল্ডার।

“আমাদের বিপক্ষে খেলা প্রতিপক্ষের জন্য কঠিন হতে হবে। মানে, রক্ষণে আমাদের ভালো এবং দৃঢ় থাকতে হবে। আমরা এখনও সেটা করতে পারিনি এবং আমাদের সেরা ফর্মের মুসিয়ালা ও ভিয়েৎসকে দরকার-যা এখনও আমরা পাইনি।”

“যদি এই দুই দিকের পরিবর্তন না হয়, তাহলে আমরা এ বিশ্বকাপে বেশি দিন টিকতে পারব না। এমন বাজে আমরা আগেও খেলেছি-যেমন আলজেরিয়ার বিপক্ষে, কিন্তু তারপরও আমরা ওই ম্যাচগুলো জিততে পেরেছি। আমরা মনে হয় না, জার্মানির এই দলের সেই সামর্থ্য আছে।”  

একুয়েডরের বিপক্ষে হারের পর জার্মানি কোচ নাগেলসমান দাবি করেন, জয়ের আকাঙ্খা নিয়েই নেমেছিল দল। তার সাথে একমত নন ক্রুস। নকআউট পর্ব নিশ্চিত হয়ে যাওয়ায় উত্তরসূরিদের আত্মতুষ্টিতে পেয়ে বসেছিল, মনে করেন তিনি।

“এই দল তাদের সবটুকু নিংড়ে দেয়- তবে আমি কোচের এই কথার সাথে একমত নই যে, (একুয়েডরের বিপক্ষে হারের ম্যাচে) দলের আত্মতুষ্টিতে পেয়ে বসার সম্পর্ক ছিল না। যখন আপনি, নকআউটে খেলার যোগ্যতা অর্জন করে ফেলবেন, তখন এই ভাবনা মনের ভেতরে থাকবেই। এটাকে পুরোপুরি উপক্ষো করতে পারবেন না। মানুষের ক্ষেত্রে এটা খুব স্বাভাবিক ব্যাপার।”