Published : 08 Jul 2026, 03:22 PM
গোল করে ও করিয়ে আর্জেন্টিনার মহাকাব্যিক প্রত্যাবর্তনের নায়ক লিওনেল মেসি। তবে তিনি নিজে সতীর্থদের অবদানকে দেখছেন বড় করে। তার মতে ২-০ ব্যবধানে পিছিয়ে থাকার পরও তারা জিতেছেন কেবল দলের হার না মানা মানসিকতার জন্য।
আটলান্টায় ৭ জুলাই শেষ ষোলোয় মিশরকে ৩-২ গোলে হারিয়েছে আর্জেন্টিনা। ৭৮তম মিনিট পর্যন্ত ২-০ গোলে পিছিয়ে ছিল বিশ্ব চ্যাম্পিয়নরা।
মেসির ক্রসে ক্রিস্তিয়ান রোমেরো জোরাল হেডে গোল করে ব্যবধান কমান। গোল মোটেও উদযাপন করেননি টটেনহ্যাম হটস্পার ডিফেন্ডার। জালে বল পাঠিয়ে সতীর্থদের দ্রুত জায়গায় ফেরার তাগাদা দেন তিনি।
একটু পরে ডি বক্স থেকে গতিময় শটে জাল খুঁজে নেন মেসি। সমতা ফেরানো গোলের উদযাপন হয় বাঁধনহারা। মনে হচ্ছিল ম্যাচ গড়াবে অতিরিক্ত সময়ে।
নিজেদের অর্ধে বল পেয়ে মেসিকে বাড়াতে চেয়েছিলেন লেয়ান্দ্রো পারেদেস। তবে অধিনায়কের ইশারা অনুযায়ী তিনি খুঁজে নেন অরক্ষিত লাউতারো মার্তিনেসকে। ইন্টার মিলান অধিনায়কের চমৎকার ক্রসেই দারুণ হেডে ব্যবধান গড়ে দেন এন্সো ফের্নান্দেস।
পিছিয়ে পড়ার পর মিশরের গতিময় প্রতি-আক্রমণ ঠেকানো এবং গোলের জন্য মরিয়া চেষ্টার জন্য সতীর্থদের প্রশংসায় ভাসালেন মেসি। ম্যাচ শেষের প্রতিক্রিয়ায় আর্জেন্টিনা অধিনায়ক তাদের লড়াকু মানসিকতার কথাও বললেন।
“কোয়ার্টার-ফাইনালে যেতে পেরে আমি খুশি। ২-০ ব্যবধানে পিছিয়ে থাকার পর কাজটা কঠিন। সেখান থেকে ঘুরে দাঁড়াতে পারে রোমাঞ্চকর ব্যাপার। আবারও অনেক ভুগেছি, তবে এটা বিশ্বকাপ, এখানে সব ম্যাচই কম-বেশি একই রকম। পার্থক্য খুব কম। আমি খুব খুশি।
“যেভাবে ম্যাচ এগিয়েছে তাতে সবার জন্যই এটা স্বস্তির। ২-০ ব্যবধানে পিছিয়ে থাকার পর ঘুরে দাঁড়ানো সহজ নয়। তবে আমি সবসময়ই যেমন বলি, এই দল কখনও হাল ছাড়ে না, শেষ পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে যায়। আমাদের ভাগ্য ভালো কুতি (রোমেরো) গোল পাওয়ার পরও সময় ছিল। আর আমরা নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই জিততে পারলাম। দল আজ যা করেছে তা অবিশ্বাস্য। আমি সন্তুষ্ট যে, সবাই এটা উপভোগ করে যেতে পারবে। আশা করি, আমরা এগিয়ে যেতে পারব।”