জয়বঞ্চিত হওয়ায় হতাশ ডে

শক্তিশালী ভারতের মাঠ থেকে পয়েন্ট নিয়ে ফেরার আনন্দ আছে জেমি ডের। তবে শেষ দিকে গোল খেয়ে জয়বঞ্চিত হওয়ায় হতাশাও আছে বাংলাদেশ কোচের।

ক্রীড়া প্রতিবেদককলকাতা থেকে বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
Published : 15 Oct 2019, 07:10 PM
Updated : 15 Oct 2019, 07:38 PM

কলকাতার সল্ট লেক স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার ২০২২ কাতার বিশ্বকাপ ও ২০২৩ সালের এশিয়ান কাপের বাছাইয়ের দ্বিতীয় রাউন্ডে ‘ই’ গ্রুপে দুই দলের ম্যাচটি ১-১ ড্র হয়েছে।

বাছাইয়ের দ্বিতীয় রাউন্ডে টানা দুই হারের পর প্রথম ড্রয়ের স্বাদ পেয়েছে বাংলাদেশ। ভারতের বিপক্ষে এ নিয়ে টানা তিন ম্যাচ ড্র করল তারা।

ভারতের তারকা ফরোয়ার্ড সুনীল ছেত্রী, উদান্ত সিং, আশিক কুরুনিয়ানদের কড়া পাহারায় রাখে রায়হান হাসান, ইয়াসিন খান-রহমত মিয়া-রিয়াদুল ইসলাম রাফিকে নিয়ে সাজানো রক্ষণভাগ। ৪১তম মিনিটে জামাল ভূইয়ার ফ্রি কিকে হেডে জাল খুঁজে নেন সাদউদ্দিন।

দ্বিতীয়ার্ধে একাধিক সুযোগ নষ্ট হয় বাংলাদেশের। ৫০তম মিনিটে মোহাম্মদ ইব্রাহিমের বাড়ানো বলে জীবনের বাঁ পায়ের শট গোলরক্ষকের পায়ে লেগে ফিরে। পাঁচ মিনিট পর ইব্রাহিমের শট লাগে ক্রসবার। ৭১তম মিনিটে জীবনের লব গুরপ্রিত সিংয়ের মাথার ওপর দিয়ে বেরিয়ে যাওয়ার পর আদিল গোললাইন থেকে ফেরান। শেষ দিকে ব্রেন্ডন ফেরনান্দেসের কর্নারে আদিলের বুলেট হেডে রানা পরাস্ত হলে সমতায়ে ফেরে ভারত।

ম্যাচ শেষে শিষ্যদের প্রশংসা করলেও হাতছাড়া হওয়া সুযোগ নিয়ে হতাশার কথা জানান বাংলাদেশ কোচ ডে।

“ভারতের বিপক্ষে আমরা দুর্দান্ত খেলেছি। ছেলেরা ভালোভাবে পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করেছে এবং প্রথমার্ধে এগিয়ে যাওয়ার পর দ্বিতীয়ার্ধে কয়েকটা ভালো সুযোগ তৈরি করেছিল। শেষ মুহূর্তে গোল খাওয়ায় আমিও হতাশ। কেননা তিন পয়েন্ট পাওয়ার জন্য আমরা যথেষ্ঠ করেছিলাম।”

“যদি পেছনে ফিরে বলি, ভারতে এসে ৭০ হাজার দর্শকের সামনে আমরা জয়ের আশা করিনি। পরিবেশ ছিল চমৎকার এবং আমি সত্যিই ছেলেদের আজকের রাতের পারফরম্যান্সে গর্বিত।”

“আমরা ভারতের চেয়ে র‌্যাঙ্কিংয়ে ৮৫ ধাপ (আসলে ৮৩ ধাপ) পিছিয়ে। তাদের মাঠে এত দর্শকের সামনে ড্র নিয়ে ফেরা চমৎকার ব্যাপার। কিন্তু তিন পয়েন্ট না পাওয়ায় হতাশ।”

“ম্যাচে সাত মিনিট বাকি থাকতে সেট পিস থেকে গোল খেয়ে আমি হতাশ। হতাশ আমরা দ্বিতীয়ার্ধে দুটি গোল বঞ্চিত হওয়ার কারণেও। একটা সেভ হলো গোললাইন থেকে, অন্যটা ক্রসবারে লাগল। অবশ্য আমরাও গোললাইন থেকে একটা সেভ করেছি। সব মিলিয়ে বলল, ড্র ম্যাচের সঠিক ফল।”

তৌফিক ইমরোজ খালিদী
প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক