১০০ মিটারে রেকর্ড ছুঁলেন মেজবাহ, শিরিনের দ্বিমুকুট

প্রতিযোগিতা শুরুর আগেই ঘোষণা দিয়েছিলেন জাতীয় পর্যায়ে টানা সাত বার ১০০ মিটার সেরা হওয়া মোশাররফ হোসেন শামীমের রেকর্ড ছোঁয়ার। প্রতিশ্রুতি রেখেছেন মেজবাহ আহমেদ। ১০ দশমিক ৭৮ সেকেন্ড সময় নিয়ে জাতীয় অ্যাথলেটিক্সে সেরা হয়েছেন তিনি। ১০০ মিটারে মুকুট ধরে রেখেছেন দ্রুততম মানবী শিরিন আক্তারও।

ক্রীড়া প্রতিবেদকবিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
Published : 24 Dec 2017, 12:49 PM
Updated : 24 Dec 2017, 02:48 PM

বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে রোববার প্রতিযোগিতার শেষ দিনে ১২ দশমিক ২৭ সেকেন্ড সময় নিয়ে মেয়েদের ১০০ মিটারে সেরা হন শিরিন। প্রথম দিন ২০০ মিটারেও প্রথম হয়েছিলেন তিনি।

২০০ মিটারে সেরা হওয়া আব্দুর রউফের সঙ্গে মেজবাহর লড়াই দারুণ জমেছিল। অভিজ্ঞতায় এগিয়ে থাকা মেজবাহ শেষ মুহূর্তে সামনে ঝুঁকে জিতেছেন। ১০ দশমিক ৭৯ সেকেন্ড সময় নিয়ে দ্বিতীয় হয়েছেন রউফ।

শামীমের রেকর্ড ছুঁতে পেরে খুশি মেজবাহ জানালেন, আটবার সেরা হওয়ার কীর্তি গড়ে অ্যাথলেটিক্সকে বিদায় বলতে চান তিনি।

“জাতীয়অ্যাথলেটিক্সে চারবার, বাংলাদেশ গেমসে একবার এবং সামার অ্যাথলেটিক্সে দুইবার-সব মিলিয়ে সাতবার সেরা হলাম। ২০০ মিটারে খেলিনি, কারণ, আমার লক্ষ্যই ছিল ১০০ মিটারে টানা সাতবারের মতো সেরা হয়ে শামীম ভাইয়ের রেকর্ডটা ছুঁব এবং আটবারের মতো সেরা হয়ে ১০০ মিটার থেকে অবসর নিবো।”

“কমনওয়েলথ গেমসে আমার লক্ষ্য ইলেকট্রনিক টাইমিং-এর সেরাটা গড়ে সেমি-ফাইনালে যাওয়া। ১০ দশমিক ৫০ করলে সেমি-ফাইনালে যাওয়া সম্ভব বলে আমি মনে করি।”

টানা ছয়বার ১০০ মিটারে সেরা হলেও নিজের সেরা টাইমিং (১১ দশমিক ৯৯ সেকেন্ড) পেরুতে পারেননি শিরিন। টানা সাতবার এই ইভেন্টে সেরা হওয়া লাভলী সুলতানার রেকর্ড ছোঁয়ার অপেক্ষায় তিনি।

“জাতীয়অ্যাথলেটিক্সে চারবার আর সামার অ্যাথলেটিক্সে দুইবার মিলিয়ে টানা ছয়বার সেরা হলাম। লাভলী আপা টানা ৭ বার সেরা হয়েছেন। আমি সেই সেরাটা ছুঁতে চাই।”

“আন্তর্জাতিক পদক পেতে এই পারফরমেন্স যথেষ্ঠ নয়। তবে যদি একটানা ভাল ট্রেনিং দেয়া হলে আমি বিশ্বাস করি এসএ গেমসে স্বর্ণ জিতব।”

১৫টি স্বর্ণ, ২১টি রৌপ্য ও ১১টি ব্রোঞ্জ মিলিয়ে মোট ৪৭টি পদক নিয়ে দলগত সেরা হয়েছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। বাংলাদেশ নৌবাহিনী দ্বিতীয় হয়েছে ১৫টি স্বর্ণ, ৯টি রৌপ্য ও ৮টি ব্রোঞ্জ নিয়ে। তৃতীয় হওয়া বাংলাদেশ জেল জিতেছে ১টি স্বর্ণ, ২টি রৌপ্য ও ৫টি ব্রোঞ্জ পদক।

তৌফিক ইমরোজ খালিদী
প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক