২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫ আশ্বিন ১৪৩৩

মেয়েদের সাফ আবারও নেপালে

স্টেডিয়াম প্রস্তুত থাকা, ভিসা সংক্রান্ত জটিলতা না থাকাসহ নানা কারণে নেপালকে আয়োজক বেছে নেওয়া হয়েছে বলে জানালেন সাফের সাধারণ সম্পাদক।

মেয়েদের সাফ আবারও নেপালে
২০২২ সালে প্রথমবারের মতো মেয়েদের সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ জিতেছিল বাংলাদেশ। ফাইল ছবি

ক্রীড়া প্রতিবেদক

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 17 Aug 2024, 02:59 PM

Updated : 26 Aug 2026, 09:42 AM

প্রথমবারের মতো মেয়েদের সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ জয়ের গল্পটা নেপালে লিখেছিল বাংলাদেশ। সেই নেপালেই মুকুট ধরে রাখার মিশনে যেতে হবে সাবিনা-কৃষ্ণাদের।

সাফের কম্পিটিশন কমিটির সোমবারের সভায় আয়োজক হিসেবে নেপালকে চূড়ান্ত করা হয়েছে। নানা কারণে নেপালকে আয়োজক করা হয়েছে বলে বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে জানালেন সাফের সাধারণ সম্পাদক আনোয়ারুল হক হেলাল।

“২০২৪ উইমেন’স সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের আয়োজক হতে তিনটি দেশ আবেদন করেছিল- বাংলাদেশ, ভুটান ও নেপাল। কম্পিটিশনস কমিটির আজকের সভায় নেপালকে চূড়ান্ত করা হয়েছে।”

“সবদিক চিন্তা করে দেখা হয়েছে, নেপাল মোর ইকোনোমিক্যাল (ব্যয় কম)। ফ্লাইট যোগাযোগ ভালো, ভিসা সংক্রান্ত কোনো ঝামেলা নেই। বাংলাদেশের তো মূল স্টেডিয়ামই নেই (প্রস্তুত নেই)। বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়াম যদি প্রস্তুত থাকত, তাহলে বিবেচনা করা যেত, কিন্তু সেটার সংস্কার কাজ তো এখনও চলছে।”

আগামী ১৭ অক্টোবর শুরু হয়ে ৩০ অক্টোবর শেষ হওয়ার কথা দক্ষিণ এশিয়ার মেয়েদের ফুটবলের সর্বোচ্চ এই আসরের। নেপালের রাজধানী কাঠমান্ডুর দশরথ রঙ্গশালা স্টেডিয়ামে হবে আসরটি।

২০২২ সালের সেপ্টেম্বরে এ মাঠেই স্বাগতিক নেপালকে ৩-১ গোলে হারিয়ে প্রথম শিরোপা জিতেছিল বাংলাদেশ। ওই ফাইনালে কৃষ্ণা রানী সরকার দুটি ও শামসুন্নাহার জুনিয়র একটি গোল করেছিলেন।

দলীয় প্রাপ্তির পাশাপাশি ব্যক্তিগত অর্জনও মুঠোভরে পেয়েছিল বাংলাদেশের খেলোয়াড়েরা। ৮ গোল নিয়ে সর্বোচ্চ গোলদাতার পুরস্কার জয়ের পাশাপাশি প্রতিযোগিতার সেরা খেলোয়াড়ের মুকুটও জিতেছিলেন বাংলাদেশ অধিনায়ক সাবিনা খাতুন। রুপনা চাকমা হয়েছিলেন সেরা গোলরক্ষক।