০৪ অক্টোবর ২০২৬, ১৮ আশ্বিন ১৪৩৩

আবারও ইয়ামালের গোল, স্পেনের হ্যাটট্রিক জয়

টানা তিন ম্যাচে শুরুতে গোল করলেন লামিন ইয়ামাল, নেশন্স লিগে শতভাগ জয়ের ধারা ধরে রাখল বিশ্ব চ্যাম্পিয়নরা।

আবারও ইয়ামালের গোল, স্পেনের হ্যাটট্রিক জয়

গোল করার পর লামিন ইয়ামাল। ছবি: রয়টার্স

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম নিউজ সার্ভিস

Published : 04 Oct 2026, 02:43 AM

Updated : 04 Oct 2026, 02:56 AM

ম্যাচের শুরুতে গোল করাকে যেন অভ্যাসে পরিণত করেছেন লামিন ইয়ামাল। ১৯ বছর বয়সি তারকার চোখধাঁধানো গোলের ম্যাচে চেকিয়াকে হারিয়ে নেশন্স লিগে শতভাগ জয়ের ধারা ধরে রেখেছে স্পেন।

ঘরের মাঠে শনিবার ‘এ’ লিগের তিন নম্বর গ্রুপের ম্যাচটি ৩-১ গোলে জিতেছে বিশ্ব চ্যাম্পিয়নরা। তাদের অন্য দুটি গোল করেছেন অধিনায়ক রদ্রি ও মিকেল মেরিনো।

আন্তর্জাতিক ফুটবলে টানা অপরাজেয় রেকর্ড যাত্রা ৪১ ম্যাচে নিয়ে গেল স্পেন (৩২ জয় ও ৯ ড্র)। এর সবশেষ ১০টিতেই জিতল তারা।

তিন ম্যাচে পূর্ণ ৯ পয়েন্ট নিয়ে গ্রুপের শীর্ষে আছে স্পেন। ৬ পয়েন্ট নিয়ে ইংল্যান্ড দুইয়ে, ৩ পয়েন্ট নিয়ে ক্রোয়েশিয়া তিনে আছে। চেকিয়া তিন ম্যাচেই হেরেছে।

পুরো ম্যাচে ৬৯ শতাংশ পজেশন রেখে গোলের জন্য ১৮টি শট নিয়ে ১০টি লক্ষ্যে রাখতে পারে স্পেন। চেকিয়ার পাঁচ শটের দুটি লক্ষ্যে ছিল।

ষষ্ঠ মিনিটেই এগিয়ে যায় স্পেন। দানি ওলমোর পাস বক্সে পেয়ে একটু জায়গা বানিয়ে বাঁ পায়ের বাঁকানো শটে ঠিকানা খুঁজে নেন ইয়ামাল।

গোলটি দেখে ডাগআউটে মাথায় হাত দিয়ে বিস্ময় প্রকাশ করেন স্পেন কোচ দে লা ফুয়েন্তে।

টানা তৃতীয় ম্যাচে দলের প্রথম গোলটি করলেন ইয়ামাল। ইংল্যান্ড ও ক্রোয়েশিয়ার বিপক্ষে ম্যাচের দ্বিতীয় মিনিটে গোল করেছিলেন বার্সেলোনা উইঙ্গার।

স্পেনের জার্সিতে ইয়ামালের গোল হলো মোট ১১টি, যার পাঁচটিই ম্যাচের প্রথম ১০ মিনিটের মধ্যে।

৩৩তম মিনিটে দারুণ সুযোগ হারান ওলমো। গোলরক্ষককে একা পেয়েও পেনাল্টি স্পটের কাছ থেকে গোল করতে পারেননি তিনি। তার শট ক্রসবারের ওপর দিয়ে পাঠান গোলরক্ষক।

দুই মিনিট পরই ব্যবধান দ্বিগুণ করেন রদ্রি। ডি-বক্সে পেদ্রির পাস আটকে যায় প্রতিপক্ষের এক ডিফেন্ডারের পায়ে লেগে, ছুটে গিয়ে জোরাল শটে বল জালে পাঠান স্পেন অধিনায়ক।

পেদ্রি ও অ্যালেক্স বায়েনাও গোল পেতে পারতেন প্রথমার্ধে, কিন্তু তাদের প্রচেষ্টা ঠেকিয়ে দেন সফরকারী গোলরক্ষক।

বিরতির পর ইয়ামাল ও বায়েনাকে আর মাঠে নামাননি কোচ। তাদের জায়গায় নামানো হয় জেরেমি পিনো ও ভিক্তর মুনিয়োসকে।

দ্বিতীয়ার্ধে স্পেনের খেলার গতি কমে যায় কিছুটা। ৬৯তম মিনিটে ব্যবধান কমায় চেকিয়া। দলটির এক খেলোয়াড় পাস দেন বক্সে, আর ছুটে গিয়ে দুরূহ কোণ থেকে নিচু শটে দূরের পোস্ট দিয়ে বল জালে পাঠান স্লামা।

একটু পর আবার স্পেনের জালে বল পাঠায় তারা, কিন্তু বিল্ডআপের সময় ফাউল হওয়ায় গোল মেলেনি।

নির্ধারিত সময়ের পাঁচ মিনিট বাকি থাকতে প্রতিপক্ষকে পেছন থেকে টেনে ধরে দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখেন চেকিয়া অধিনায়ক লাজিস্লাভ ক্রেইচি।

৮৯তম মিনিটে স্পেনের জয় প্রায় নিশ্চিত করে ফেলেন পেদ্রির বদলি নামা মেরিনো। মুনিয়োসের শট গোলরক্ষক রুখে দেওয়ার পর জালে পাঠান তিনি।