১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩ আশ্বিন ১৪৩৩

ইংল্যান্ডের বিপক্ষে জয়কে স্মরণীয় করে রাখতে আর্জেন্টিনার ‘বিশেষ দিন’

বিশ্বকাপে ঘুরে দাঁড়ানো ওই জয়ের দিনটিকে ‘জাতীয় ফুটবল দল দিবস’ ঘোষণা করেছে আর্জেন্টিনা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন।

ইংল্যান্ডের বিপক্ষে জয়কে স্মরণীয় করে রাখতে আর্জেন্টিনার ‘বিশেষ দিন’
ওই জয়ের পর আর্জেন্টিনার উল্লাস। ছবি: রয়টার্স

স্পোর্টস ডেস্ক

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 06 Aug 2026, 06:25 PM

Updated : 11 Sep 2026, 03:48 PM

এবারের বিশ্বকাপের সেমি-ফাইনালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে অসাধারণ জয়কে স্থায়ীভাবে উদযাপন করার উদ্যোগ নিয়েছে আর্জেন্টিনা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন। দিনটিকে স্মরণীয় করে রাখতে ১৫ জুলাইকে ‘জাতীয় ফুটবল দল দিবস’ হিসেবে পালন করা হবে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।

গত ১৫ জুলাই আটলান্টায় রোমাঞ্চকর লড়াইয়ে ইংল্যান্ডকে ২-১ গোলে হারায় আর্জেন্টিনা।

১৯৬৬ সালের পর প্রথমবার বিশ্বকাপের ফাইনালে ওঠার লক্ষ্যে ইংল্যান্ড ৫৫তম মিনিটে এগিয়ে যায় অ্যান্থনি গর্ডনের গোলে। কিন্তু দলটির কোচ টমাস টুখেলের রক্ষণাত্মক কৌশলের সুযোগে ৮৫তম মিনিটে আর্জেন্টিনাকে সমতায় ফেরান এন্সো ফের্নাদেস। এরপর ৯২তম মিনিটে লাউতারো মার্তিনেসের গোলে ইংলিশদের হৃদয় ভেঙে ফাইনালে জায়গা করে নেয় লিওনেল স্কালোনির দল।

বুধবার আর্জেন্টাইন ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের নির্বাহী সভার পর ওই জয়ের দিনটিকে স্থায়ীভাবে উদযাপন করার উদ্যোগ নেওয়ার কথা জানানো হয়।

ওই ম্যাচটি ঘিরে রাজনৈতিক উত্তেজনাও বেড়ে যায়। জয়ের পর আর্জেন্টিনার বেশ কয়েকজন খেলোয়াড় একটি ব্যানার হাতে নিয়ে দাঁড়ায়, যেখানে লেখা ছিল ‘লাস মালভিনাস সন আর্জেন্টিনাস’, যার অর্থ ‘ফকল্যান্ডস দ্বীপপুঞ্জ আর্জেন্টিনার।’

দক্ষিণ আটলান্টিক মহাসাগরের দ্বীপপুঞ্জকে ব্রিটিশরা ‘ফকল্যান্ডস’ এবং আর্জেন্টাইনরা ‘মালভিনাস’ নামে চেনে। যেটির সার্বভৌমত্ব নিয়ে দুই দেশের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছে।

১৯৮২ সালে এই দ্বীপপুঞ্জ নিয়ে দুই দেশ একটি সংক্ষিপ্ত যুদ্ধে জড়ায়, যেখানে ৬৪৯ জন আর্জেন্টাইন সৈন্য এবং ২৫৫ জন ব্রিটিশ সেনা নিহত হন। শেষ পর্যন্ত ব্রিটেন এই যুদ্ধে জয়ী হয়।

ফিফার স্টেডিয়াম আচরণবিধি অনুযায়ী, স্টেডিয়ামের ভেতরে রাজনৈতিক, আপত্তিকর বা বৈষম্যমূলক কোনো ব্যানার, পতাকা, লিফলেট, পোশাক কিংবা অন্যান্য সামগ্রী প্রদর্শন নিষিদ্ধ।

ব্যানার প্রদর্শনসহ বিশ্বকাপে বেশ কিছু নিয়ম ভাঙার অভিযোগে আর্জেন্টিনা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন ও ফুটবলারদের বিরুদ্ধে ইতোমধ্যেই শাস্তিমূলক তদন্ত প্রক্রিয়া শুরু করেছে ফিফা।

বিশ্বকাপ ফাইনালে স্পেনের বিপক্ষে ১-০ গোলে হেরে যায় আর্জেন্টিনা। অন্যদিকে, ফ্রান্সকে ৬-৪ গোলে হারিয়ে তৃতীয় হয় ইংল্যান্ড।