১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩ আশ্বিন ১৪৩৩

গুয়ার্দিওলার কৌশলে মানিয়ে নিতে পারবেন, বিশ্বাস দোন্নারুম্মার

ম্যানচেস্টার সিটি কোচের চাওয়া পূরণে নিজের সবটুকু উজাড় করে দিতে প্রস্তুত এই তারকা গোলরক্ষক।

গুয়ার্দিওলার কৌশলে মানিয়ে নিতে পারবেন, বিশ্বাস দোন্নারুম্মার
জানলুইজি দোন্নারুম্মা। ছবি: রয়টার্স।

স্পোর্টস ডেস্ক

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 04 Sep 2025, 06:53 PM

Updated : 26 Aug 2026, 02:14 PM

একেবারে নিজেদের সীমানা থেকে গুছিয়ে আক্রমণে ওঠা পেপ গুয়ার্দিওলার কৌশলগুলোর একটি। প্রয়োজনে বল পায়ে অবদান রাখতে হয় গোলরক্ষককেও। এই জায়গায় তেমন পারদর্শী নন জানলুইজি দোন্নারুম্মা, তবে ম্যানচেস্টার সিটিতে কোচের ধরনের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার ব্যাপারে আত্মবিশ্বাসী এই ইতালিয়ান।

ফরাসি ক্লাব পিএসজি থেকে গত মঙ্গলবার সিটিতে যোগ দেন সময়ের সেরা গোলরক্ষকদের একজন দোন্নারুম্মা। ইংলিশ ক্লাবটির সঙ্গে পাঁচ বছরের চুক্তি করেন ২৬ বছর বয়সী এই ফুটবলার।

সিটির সঙ্গে আট বছরের সম্পর্ক ছিন্ন করে সেদিনই তুরস্কের ক্লাব ফেনারবাচেতে পাড়ি জমান এদেরসন। একমাত্র চ্যাম্পিয়ন্সলিগসহ ক্লাবটির অনেক শিরোপা জয়ে খুব গুরুত্বপূর্ণ অবদান ছিল এই ব্রাজিলিয়ান গোলরক্ষকের। গুয়ার্দিওলার প্রথম পছন্দের গোলরক্ষক ছিলেন তিনি।

প্রতিপক্ষের চাপের মুখেও বল পায়ে রেখে ঠাণ্ডা মাথায় সতীর্থদের পাস দেওয়ায় দারুণ দক্ষতা রয়েছে এদেরসনের। প্রিমিয়ার লিগে সাতটি অ্যাসিস্টও করেছেন তিনি, যেকোনো গোলরক্ষকের চেয়ে দুটি বেশি।

এদেরসনের জায়গায় সিটিতে এসে দলটির খেলার ধরনে নিজেকে মানিয়ে নিতে পারবেন কিনা, এমন প্রশ্নের জবাবে বর্তমানে জাতীয় দলের ক্যাম্পে থাকা দোন্নারুম্মা বলেন, উন্নতি করতে হবে তাকে।

“সবসময় দলকে সাহায্য করার চেষ্টা করি এবং কোচ যা চান, তাই করি। সবকিছুই করি; সব জায়গায় সবসময়ই উন্নতি করা যায়, তবে কোচ আমার কাছ থেকে যা চান, সেখানে উন্নতির চেষ্টা থাকে বেশি। আমি নিশ্চিত যে, গুয়ার্দিওলার কোচিংয়ে আমরা দুর্দান্ত করব।”

২০২১ সালে ইতালির ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপ জয়ে অসাধারণ অবদান রেখে তারকা হয়ে ওঠেন দোন্নারুম্মা। এরপরই এসি মিলান ছেড়ে পিএসজিতে পাড়ি জমান তিনি। প্যারিসের ক্লাবটির হয়ে গত মৌসুমে চ্যাম্পিয়ন্সলিগসহ জেতেন ট্রেবল। এখানে চার মৌসুমের প্রতিবারই পান লিগ আঁর শিরোপা জয়ের স্বাদ।

পিএসজিতে পোস্টে দুর্দান্ত সময় কাটানো দোন্নারুম্মাকে অবশ্য কিছু ভুল করতেও দেখা গেছে। বিশেষ করে, বল পাস দেওয়ার ক্ষেত্রে।

“১৬ বছর বয়সে খেলা শুরু করার পর থেকে আজ পর্যন্ত, সবসময় দারুণ কাজ করেছি। ভুল সবসময়ই হয়। তবে আমার বিশ্বাস, আমি চমৎকার কিছু অর্জন করেছি।”