Published : 23 Jul 2026, 01:51 PM
বিশ্বকাপ জিতে নিজ শহরে ফিরেই টাটকা উপহার পেলেন ফাবিয়া রুইস ও গাভি। এই উপহার আক্ষরিক অর্থেই ‘টাটকা।’ স্পেনের বিশ্বকাপজয়ী দুই ফুটবলারকে বরণ করে নেওয়া হলো টমেটোয়!
বিশ্বকাপ জয়ের পর মাদ্রিদে ভিক্টরি প্যারেড ও উদযাপনের নানা আয়োজন সেরে নিজেদের শহর লস পালাসিওস ই ভিয়াফ্রাঙ্কায় ফেরেন দুজন। স্পেনের দক্ষিণে আন্দালুসিয়ার এই শহরটি টমেটো উৎপাদনের জন্য পরিচিত। এখানকার নানা ঐতিহ্যে মিশে আছে টমেটো। শহরের সেরা সন্তানদের সম্মান জানাতে প্রতীকী উপহার হিসেবে তুলে দেওয়া হয় টমেটো।
রুইস ও গাভিকে শহরের টাউন হলে বিশেষ সংবর্ধনা দেওয়া হয়। কয়েক হাজার মানুষ সমবেত হন সেখানে। ঐত্যিহ্য মেনে নিজেদের ওজনের সমপরিমাণ টমেটো উপহার দেওয়া হয় তাদেরকে।
পিএসজির মিডফিল্ডার রুইসের ওজন ছিল ৮৪ কেজি (১৮৫ পাউন্ড), বার্সেলোনার মিডফিল্ডার গাভির ওজন ৬৮ কেজি (১৫০ পাউন্ড)।
ছোট্ট শহরটি টমেটোর পাশাপাশি বিখ্যাত হয়ে গেছে ফুটবলারদের জন্যও। ৩৫ হাজার জনসংখ্যার ছোট্ট শহরটি থেকে বিশ্বকাপজয়ী ফুটবলার এখন তিনজন!

এই শহরের সন্তান হেসুস নাভাস দীর্ঘদিন খেলেছেন জাতীয় দলে। সেভিয়ায় ১০ বছর খেলে ম্যানচেস্টার সিটিতে পাড়ি জমিয়ে চার বছর খেলে আবার সেভিয়ায় ফিরে আরও সাত বছর খেলেন তিনি। স্পেন জাতীয় দলে খেলেন ৫৮ ম্যাচ।
২০১০ সালের বিশ্বকাপজয়ী স্পেন দলে ছিলেন তিনি। ফাইনালেও খেলেছিলেন। বিশ্বকাপ জিতে আসার পর তাকেও টমেটো দিয়ে বরণ করা হয়েছিল এই শহরে। পরে ২০১২ ও ২০২৪ ইউরো জয়ের পরও তাকে একইভাবে টমেটো উপহার দেওয়া হয়।
দুই বছর আগে স্পেনের ইউরোজয়ী দলে ছিলেন রুইসও। দেশের হয়ে গাভির প্রথম শিরোপা এটিই।
বিশ্বকাপ জয়ের পুরস্কার কেবল টমেটোই নয়। আরও কিছু উপহার ও স্মারক তুলে দেওয়া হয় তাদের হাতে। স্থানীয় দুটি স্টেডিয়ামের নামকরণ করা হয় তাদের নামে, যেখানে খেলে তারা বেড়ে উঠেছেন। এছাড়াও নাভাসের প্রতি সম্মান জানিয়ে একটি স্মৃতিস্তম্ভ তৈরির ঘোষণাও দেওয়া হয়।