১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২ আশ্বিন ১৪৩৩

দ. কোরিয়া ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনে পুলিশের অভিযান

হং মিয়ুং-বোকে কোচ হিসেবে নিয়োগ প্রক্রিয়ায় ‘সংস্থার স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ার’ অভিযোগে চলমান তদন্তের অংশ হিসেবে এই অভিযান চালিয়েছে সিউল পুলিশ।

দ. কোরিয়া ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনে পুলিশের অভিযান
দক্ষিণ কোরিয়ার সাবেক কোচ হং মিয়ুং-বো। ছবি: রয়টার্স

স্পোর্টস ডেস্ক

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 06 Aug 2026, 07:37 PM

Updated : 11 Sep 2026, 03:48 PM

হং মিয়ুং-বোকে দক্ষিণ কোরিয়ার দায়িত্বে ফেরানোর পর থেকেই চলছে বিতর্ক। তার নিয়োগে ‘নিয়ম ভেঙেছে’ কোরিয়া ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন (কেএএফ), আছে এমন অভিযোগও। এবার সংস্থাটিতে অভিযান চালিয়েছে পুলিশ।

বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে সিউল পুলিশ বলেছে, সাবেক কোচ মিয়ুং-বোকে নিয়োগের প্রক্রিয়ায় অনিয়মের মাধ্যমে ‘সংস্থার স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ার’ অভিযোগে চলমান তদন্তের অংশ হিসেবে কেএফএর কার্যালয়ে অভিযান চালিয়েছে তারা।

এ বিষয়ে মন্তব্যের জন্য রয়টার্সের অনুরোধে তাৎক্ষণিকভাবে সাড়া দেয়নি কেএফএ।

২০২৪ সালে দ্বিতীয় মেয়াদে দক্ষিণ আফ্রিকা ফুটবল দলের দায়িত্বে ফেরেন মিয়ুং-বো। প্রথম দফায় ২০১৩ থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত দলটির কোচ ছিলেন তিনি।

তবে তার নিয়োগ নিয়ে তখন থেকেই উঠতে শুরু করে প্রশ্ন। যার মূল কারণ, দীর্ঘ কয়েক মাস ধরে বিদেশি কোচদের নিয়ে চলা অনুসন্ধান প্রক্রিয়া হঠাৎ বাতিল করে সংক্ষিপ্ত এক বৈঠকের পর মিয়ুং-বোকে কোচ হিসেবে নিয়োগ দেয় কেএফএ।

মিয়ুং-বোর কোচিংয়ে উত্তর আমেরিকা বিশ্বকাপ একদমই ভালো কাটেনি দক্ষিণ কোরিয়ার। গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নেয় তারা। পরে পদত্যাগ করেন কোচ।

তখন দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট লি জায়ে মিয়ুং দলের ব্যর্থতার কারণ অনুসন্ধানে তদন্ত করতে বলেন। মিয়ুং-বোকে কোচের দায়িত্ব দেওয়া নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি।

জুলাইয়ে অনুষ্ঠিত এক শুনানিতে আইনপ্রণেতাদের অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করে মিয়ুং-বো বলেন, নিয়োগের ক্ষেত্রে তিনি কোনো বিশেষ সুবিধা পাননি। তবে বিশ্বকাপে দক্ষিণ কোরিয়ার ব্যর্থতার দায় নিজের কাঁধে তুলে নেন এই কোচ।

২০২৪ সালের অক্টোবরে দক্ষিণ কোরিয়ার ক্রীড়া মন্ত্রণালয় বলে, মিয়ুং-বোক ও সাবেক কোচ ইয়ুর্গেন ক্লিন্সমান; উভয়ের নিয়োগের ক্ষেত্রে কেএফএ নিজেদের নির্ধারিত নিয়ম লঙ্ঘন করেছে। তাদের দাবি ছিল, টেকনিক্যাল ডিরেক্টরের সঙ্গে মিয়ুং-বোর ওই বৈঠকটি কোনো বৈধ সাক্ষাৎকারের আওতায় পড়ে না।

তবে মন্ত্রণালয় কোনো অবৈধ কর্মকাণ্ডের প্রমাণ পায়নি এবং মিয়ুং-বোর চুক্তি বাতিলের নির্দেশও দেয়নি।

বিশ্বকাপের আগেই মিয়ুং-বোর নিয়োগে অনিয়ম ও অযাচিত হস্তক্ষেপের অভিযোগের তদন্ত শুরু করেছিল পুলিশ। এখন পর্যন্ত মিয়ুং-বো বা কেএফএ-র কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে কোনো ফৌজদারি অপরাধের প্রমাণ পাওয়ার ঘোষণা আসেনি।