১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২ আশ্বিন ১৪৩৩

তিনশতে রোনালদো-এমবাপেকে ছাড়িয়ে মেসির পেছনে হলান্ড

ক্লাব ক্যারিয়ারের তিনশ গোলের দ্রুততায় রোনালদো-এমবাপেকে টপকে গেলেও মেসিকে পেছনে ফেলতে পারেননি হলান্ড।

স্পোর্টস ডেস্ক

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম নিউজ সার্ভিস

Published : 06 Sep 2026, 03:57 PM

Updated : 17 Sep 2026, 02:55 AM

সফলতম কোচ বিদায় নিয়েছেন, দলের চেহারাও বদলে গেছে। তবে আর্লিং হলান্ড আছেন আগের রূপেই। নতুন মৌসুমের শুরুটা যথারীতি দুর্দান্ত করেছেন তিনি। ম্যানচেস্টার সিটির হয়ে গোল যেমন করে চলেছেন, তেমনি এবার তিনি পা রাখলেন দারুণ এক মাইলফলকেও।

ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে সোমবার কভেন্ট্রি সিটির বিপক্ষে ম্যানচেস্টার সিটির জয়ে ম্যাচের একমাত্র গোলটি করেন হলান্ড। 

দলকে জেতানো গোলটি তার ক্যারিয়ারের বড় এক মাইলফলকও। ক্লাব ক্যারিয়ারে ৩০০ গোল পূর্ণ করলেন তিনি এই গোলেই।

গোলস্কোরিংয়ের দ্রুততায় এর মধ্যেই বেশ কিছু রেকর্ড তিনি গড়েছেন, পেছনে ফেলেন অনেক কিংবদন্তিকে। তিনশতেও যেমন তিনি পেরিয়ে গেছেন ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো ও কিলিয়ান এমবাপের মতো তারকাদের।

৩০০ গোল স্পর্শ করতে ৪৯৯ ম্যাচ লেগেছিল রোনালদোর, ৩৯৮ ম্যাচ এমবাপের। হলান্ড এই সীমানায় পা রাখলেন ৩৮৪ ম্যাচ খেলেই। 

আরেক কিংবদন্তিকে অবশ্য ছুঁতে পারেননি ম্যানচেস্টার সিটির তারকা। ৩৬৫ ম্যাচ খেলেই ৩০০ করেছেন লিওনেল মেসি।

মেসি অনন্য আরেকটি জায়গাতেও। তার ওই ৩০০ গোল এসেছে স্রেফ বার্সেলোনার হয়েই। হলান্ডের হলো চারটি ক্লাবের জার্সিতে। 

কভেন্ট্রি সিটির বিপক্ষে এ দিন ঘরের মাঠে ২৬তম মিনিটে হেড থেকে গোলটি করেন হলান্ড। ম্যাচে শেষ পর্যন্ত ব্যবধান গড়ে দেওয়া গোল হয়ে রয় সেটিই। ম্যাচে ৭৮ শতাংশ সময় বল নিজেদের কাছে রেখেও আর গোল আদায় করতে পারেনি সিটি। 

“আমার উচিত ছিল আরও গোল করে খেলাটা আগেই শেষ করে দেওয়া। আমি তা করতে পারিনি, বরং দলের জন্য পরিস্থিতি কঠিন করে তুলেছিলাম এবং শেষ পর্যন্ত কভেন্ট্রিকে খেলায় টিকিয়ে রেখেছিলাম। প্রিমিয়ার লিগে পরিকল্পনা অনুযায়ী খেলতে না পারলে পরিস্থিতি কঠিন হয়ে ওঠে।”

কোচ পেপ গুয়ার্দিওলা চলে যাওয়ার পর দলে বেশ ভাঙাগড়া চলেছে। বেশ কজন তারকা দল ছেড়েছেন, নতুন কোচ এন্টসো মারেস্কা দলে এনেছেন নতুন বেশ কজনকে। তাদের মধ্যে এন্সো ফের্নান্দেস, ইলিমান এনদিয়াই, এলিয়ট এন্ডারসন এ দিন ছিলেন শুরুর একাদশেই।

হলান্ডের বিশ্বাস, সিটির মতো দলের চাহিদা ভালোভাবেই জানেন দলে নতুন আসা ফুটবলাররা এবং তারা দ্রুত মানিয়ে নেবেন।  

“আমার মনে হয়, আমরা এমন অনেক ফুটবলার দলে নিয়েছি, যারা আমাদের দলের লেভেল সম্পর্কে জানে। এন্সো ফের্নান্দেস জানে শিরোপা জেতা এবং প্রিমিয়ার লিগে খেলার অনুভূতি কেমন। সে সরাসরি দলে জায়গা করে নেবে। এলিয়টের ক্ষেত্রেও একই কথা, সে দীর্ঘদিন প্রিমিয়ার লিগে খেলেছে এবং ইংল্যান্ড জাতীয় দলের হয়েও খেলেছে। তাই সে জানে একটি শীর্ষ দলের হয়ে খেলা কেমন হয়।

আমাদের কিছু একটা গড়ে তোলার চেষ্টা করতে হবে এবং তাদেরকে যথাসম্ভব স্বাগত জানানোর চেষ্টা করতে হবে — যেমনটা তারা করেছিল যখন আমি সিটিতে এসেছিলাম। দলে এসেই সরাসরি ভালো খেলেছিলাম আমি এবং ভালো ফুটবলারদের কাছ থেকে এটাই প্রত্যাশা করা হয়।”