বিশ্বকাপের ‘ক্ষত’ এখনও দগদগে ইংল্যান্ডের
তবে বিশ্বকাপের হতাশা ভুলে সামনের পথচলায় মনোযোগ দেওয়ার চেষ্টা করছেন বুকায়ো সাকা ও তার সতীর্থরা।
পাঁচ যুগ পর বিশ্বকাপের ফাইনালে ওঠার খুব কাছে গিয়েও শেষ পর্যন্ত হৃদয়ভাঙার হতাশা এখনও পোড়াচ্ছে ইংল্যান্ডকে। উয়েফা নেশন্স লিগের লড়াইয়ে নামার আগে দলটির ফরোয়ার্ড বুকায়ো সাকা বলেছেন, এখনও সেই ব্যর্থতা তাদেরকে কষ্ট দিচ্ছে।
১৯৬৬ সালে প্রথমবার বিশ্বকাপের ফাইনালে খেলেছিল ইংল্যান্ড। আর সেবারই প্রথম বিশ্ব জয়ের স্বাদ পায় তারা। এরপর এখন পর্যন্ত আর বিশ্বকাপের শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচ খেলতে পারেনি দলটি।
উত্তর আমেরিকা আসরে সেই সম্ভাবনা বেশ ভালোভাবেই জাগায় ইংল্যান্ড। তাদেরকে শিরোপা জয়ের দাবিদারদের একটি হিসেবেও দেখা হচ্ছিল। কিন্তু সেমি-ফাইনালে গিয়ে ভাঙে তাদের স্বপ্ন। আর্জেন্টিনার বিপক্ষে এগিয়ে যাওয়ার পরও, শেষ পর্যন্ত ২-১ গোলের হার নিয়ে মাঠ ছাড়তে হয় ইংলিশদের।
এরপর তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে ফ্রান্সকে রোমাঞ্চকর লড়াইয়ে ৬-৪ গোলে হারিয়ে তৃতীয় হয় ইংল্যান্ড, ছয় দশকের মধ্যে বিশ্বকাপে যা তাদের সেরা সাফল্য।
আগামী শনিবার ওয়েম্বলিতে বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন স্পেনের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে নেশন্স লিগ শুরু করবে ইংল্যান্ড। তার আগে বিশ্বকাপে লক্ষ্যে পৌঁছাতে না পারার কষ্টের কথা তুলে ধরেন সাকা।
“অবশ্যই, আমাদের মনে সেই ক্ষত এখনও আছে। কারণ, আমাদের নিজেদের ওপর বিশ্বাস ছিল, সবাই ঐক্যবদ্ধ ছিলাম এবং খুব আত্মবিশ্বাসী ছিলাম যে আমরা (বিশ্বকাপ জিততে) পারব। কেবল আমরা নই, পুরো দেশ সেটা অনুভব করেছিল।
“যত দ্রুত সম্ভব সবকিছু ভুলে সামনে এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করি আমরা, কিন্তু ক্ষত তো ক্ষত-ই; সময় নিয়েই তা শুকায়।”
দল এখন সামনের চ্যালেঞ্জ নেশন্স লিগে মনোযোগ দিচ্ছে বলেও জানালেন সাকা।
“এখন বিশ্বকাপের অধ্যায়ের ইতি টেনে সামনে এগিয়ে যেতে চাই আমরা। মনোযোগ দিতে চাই নতুন আন্তর্জাতিক মৌসুমে।
“নেশন্স লিগের নকআউট পর্বে উঠতে আমাদের চারটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও কঠিন গ্রুপ ম্যাচ রয়েছে, এবং সেগুলোতেই আমাদের পুরো মনোযোগ।”
নেশন্স লিগের গ্রুপ পর্বে ইংল্যান্ডের অন্য দুই প্রতিপক্ষ ক্রোয়েশিয়া ও চেকিয়া।
