১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩ আশ্বিন ১৪৩৩

মেসিকে এখন চিঠি লিখলে, কেমন লিখতেন ফের্নান্দেস?

'লিওনেল মেসির কাছ থেকে যা শিখেছি, একটা বই লেখেও তা পুরোপুরি প্রকাশ করার সম্ভব নয়', মুগ্ধতা নিয়ে বললেন এন্সো ফের্নান্দেস।

মেসিকে এখন চিঠি লিখলে, কেমন লিখতেন ফের্নান্দেস?
আলজেরিয়ার বিপক্ষে জয়ের পর সতীর্থদের সঙ্গে আর্জেন্টিনা অধিনায়ক লিওনেল মেসি।

স্পোর্টস ডেস্ক

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 22 Jun 2026, 06:54 PM

Updated : 11 Sep 2026, 03:28 PM

'আমরা আপনাকে কী করে বোঝাব'… এই লাইন দিয়ে শুরু হয়েছিল চিঠিটি। যার পরতে পরতে ছিল, লিওনেল মেসির ফিরে আসার আকুতি, প্রিয় ফুটবলারের অভিমান ভেঙে ফিরে আসার দাবি, আবেগ, সবকিছু। চিঠির লেখক এন্সো ফের্নান্দেস কয়েক বছর ধরে মেসির সতীর্থ। দুজনে মিলে কোপা আমেরিকা, বিশ্বকাপ জিতেছেন। এক দশক আগে লেখা ফের্নান্দেসের সেই চিঠি ফের আলোচনায়।

২০১৬ সালের কোপা আমেরিকার ফাইনালে আর্জেন্টিনা হেরে যাওয়ার পর, একরাশ হতাশা, ক্ষোভ নিয়ে জাতীয় দলকে বিদায় বলে দিয়েছিলেন মেসি। সেসময়ের ‘টিনএজার’ ফের্নান্দেস প্রিয় তারকার অবসর ভেঙে ফিরে আসার আকুতি জানিয়ে, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পোস্ট করেছিলেন হৃদয়স্পর্শী এক খোলা চিঠি।

সেই চিঠির কারণে হোক বা দেশের প্রতি টানের কারণে কিংবা অন্য কারণে, অভিমান, হতাশা ভুলে মেসি ফিরেছিলেন। দেশের হয়ে না পাওয়ার বেদনাও তিনি ভুলতে পেরেছিলেন, দুটি কোপা আমেরিকা ট্রফি ও বিশ্বকাপ জিতে। 

উত্তর আমেরিকা বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনা নোঙর ফেলেছে শিরোপা ধরে রাখার লক্ষ্য নিয়ে। কাতার বিশ্বকাপের মতো এবারও মেসির সতীর্থ ফের্নান্দেস। দুজনে পেয়েছে দারুণ শুরুও।

মেসির হ্যাটট্রিকেই আলজেরিয়াকে ৩-০ গোলে হারিয়ে বিশ্বকাপ যাত্রা করেছে আর্জেন্টিনা। ডালাসে সোমবার বাংলাদেশ সময় রাত ১১টায় তারা মুখোমুখি হবে অস্ট্রিয়ার। এ ম্যাচ সামনে রেখে, আলোচনায় সেই আলোচিত চিঠি। এই প্রসঙ্গ উঠতেই স্মৃতিকাতর হয়ে উঠলেন ফের্নান্দেস। প্রশংসায় ভাসালেন মেসিকে।

“আর্জেন্টাইনদের জন্য সেটা ছিল কঠিন সময় এবং আমি মনে করি, আজ যদি চিঠি লিখতাম, তাহলে আরও বেশি আবেগী চিঠি লিখতাম। কেননা, তার সাথে অনেক কিছু ভাগাভাগি করেছি (সতীর্থ হিসেবে) এবং তিনি দারুণ একজন মানুষ।”

“মেসিকে ব্যাখ্যা করার কোনো প্রয়োজন নেই। আজ, একটা বই লেখাও যথেষ্ট নয়, তার পাশে থেকে যতটুকু শিখেছি, তা প্রকাশ করার জন্য।”

মেসির হাতে ধরে, ৩৬ বছরের খরা কাটিয়ে কাতারে বিশ্বকাপ ট্রফি উঁচিয়ে ধরেছিল আর্জেন্টিনা। তরুণ ফের্নান্দেসও পেয়েছিলেন, প্রথম বিশ্ব জয়ের স্বাদ। চার বছর আগের সেই স্মৃতিও আওড়ালেন ২৫ বছর বয়সী এই মিডফিল্ডার। বললেন, এখন তিনি আগের চেয়ে আরও পরিণত।

“কাতার বিশ্বকাপের পর চারটি বছর কেটে গেছে এবং আমি অনেক কিছু শিখেছি। জাতীয় দলে নিজের ভূমিকা বদলেছি। এখন খুবই পরিণত অনুভব করি। ছোট্ট একটা ছেলে হিসেবে যখন দলে এসেছিলাম, উন্নতির জন্য সবসময় নিজেকে তাগিদ দিতাম। আমার মনে হয়, আমি এটা অর্জন করেছি।”