১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২ আশ্বিন ১৪৩৩

রেয়াল মাদ্রিদ ম্যাচ নিয়ে ‘ভীত নয়’ সিটি

ইউরোপের সফলতম ক্লাবটিকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের পরের ধাপে যেতে আত্মবিশ্বাসী সিটির ব্রাজিলিয়ান উইঙ্গার সাভিনিয়ো।

স্পোর্টস ডেস্ক

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 10 Feb 2025, 08:38 PM

Updated : 26 Aug 2026, 11:48 AM

মাঠের পারফরম্যান্সে চেনা চেহারার ধারেকাছেও নেই ম্যানচেস্টার সিটি। এমন পরিস্থিতিতে কঠিন পরীক্ষার মুখে পড়তে যাচ্ছে তারা। চ্যাম্পিয়ন্স লিগের শেষ ষোলোয় জায়গা করে নিতে পাড়ি দিতে হবে রেয়াল মাদ্রিদ পরীক্ষা। তবে তাতে একদমই ভয় পাচ্ছে না ইংলিশ ক্লাবটি। 

ইউরোপের সফলতম দলের মুখোমুখি হওয়ার আগে সিটির ব্রাজিলিয়ান উইঙ্গার সাভিনিয়ো আত্মবিশ্বাসী কণ্ঠে বললেন, লড়াইটির জন্য মানসিকভাবে প্রস্তুত তারা। 

নতুন আঙ্গিকের চ্যাম্পিয়ন্স লিগে প্রাথমিক পর্বে এই দুই দলের পারফরম্যান্স মোটেও আশানুরূপ ছিল না। পেপ গুয়ার্দিওলার দল সিটি তো ছিটকে পড়ার দুয়ারেই চলে গিয়েছিল। সেখান থেকে ঘুরে দাঁড়িয়ে কোনোমতে টেবিলের ২২তম হয়ে জায়গা করে নেয় এই প্লে-অফে। আর শিরোপাধারী রেয়াল পয়েন্ট তালিকায় ছিল ১১তম।

নকআউট পর্বের টিকেট পেতে দুই লেগের প্লে অফে লড়তে হবে সিটি ও রেয়ালকে। প্রথম দেখায় আগামী মঙ্গলবার ঘরের মাঠে খেলবে সিটি। আর ১৯ ফেব্রুয়ারি দ্বিতীয় লেগে রেয়ালের আঙিনায় লড়বে তারা।

গত কয়েক বছরে সিটি ও রেয়ালের দ্বৈরথ পৌঁছেছে অন্য উচ্চতায়। চলতি মৌসুমে সিটি নিজেদের খুঁজে ফিরলেও, বড় মঞ্চে তাদের জ্বলে ওঠায় অপেক্ষাতেই আছে সমর্থকরা। তাতে দেখা যেতে পারে দল দুটির আরেকটি হাইভোল্টেজ লড়াই। 

ক্রীড়াভিত্তিক ওয়েবসাইট ইএসপিএনের সঙ্গে আলাপকালে সাভিনিয়োও শোনালেন আশাবাদ। বললেন, এমন ম্যাচগুলোর জন্যই অপেক্ষায় থাকেন তারা।

“এমন সব ম্যাচ খেলতেই আমি ম্যানচেস্টার সিটিতে এসেছি এবং প্রত্যেক বড় খেলোয়াড়ই এমন ম্যাচ খেলতে চায়। এই চাওয়া শুধু আমার নয়, এই ড্রেসিংরুমের অনেক অভিজ্ঞ খেলোয়াড়ই এটা চায়।”

“এগুলো বড় মানের খেলোয়াড় ও কোচদের ম্যাচ। এই লড়াইগুলো দেখার জন্য ও খেলার জন্য দারুণ। আশা করি, দুই লেগে দুটি জয় নিয়ে মাঠ ছাড়তে পারবে ম্যানচেস্টার সিটি।”

চ্যাম্পিয়ন্স লিগের নকআউট পর্বে এ নিয়ে টানা চার আসরে ইউরোপের সফলতম দল রেয়ালের মুখোমুখি হতে যাচ্ছে সিটি। সব মিলিয়ে, টানা পাঁচ বছরে পাঁচবার।

সাভিনিয়ো বললেন, প্লে-অফের ড্রয়ের সময় রেয়ালকে প্রতিপক্ষ হিসেবে পেয়ে তাদের কারো মধ্যেই তেমন কোনো প্রতিক্রিয়া দেখা যায়নি। 

“ড্রয়ের সময় ড্রেসিং রুমের পরিবেশ শান্তই ছিল। আমরা এতে অভ্যস্ত হয়ে গেছি, সাম্প্রতিক মৌসুমগুলোতে তাদের বিপক্ষে অনেক খেলেছি। দারুণ লড়াই হয়।”

“আমরা শান্ত ছিলাম, অবশ্য এক্ষেত্রে আমাদের তো অন্য উপায়ও ছিল না। প্রতিপক্ষ বেছে নেওয়ার সুযোগ নেই আমাদের। আমরা কেবল মাঠে নামার জন্য অপেক্ষা করছি।”