১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩ আশ্বিন ১৪৩৩

প্রথমার্ধের ঘটনায় দ্বিতীয়ার্ধে লাল কার্ড!

এমন কিছু পৃথিবীর কোথাও আর কখনও ঘটেছে কি না, সন্দিহান ফ্ল্যামেঙ্গো কোচ ফিলিপে লুইস।

প্রথমার্ধের ঘটনায় দ্বিতীয়ার্ধে লাল কার্ড!
ফ্ল্যামেঙ্গোর হোর্হে কারাসকালকে লাল কার্ড দেখান রেফারি। ছবি: ভিডিও থেকে স্ক্রিনশট

স্পোর্টস ডেস্ক

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 02 Feb 2026, 07:29 PM

Updated : 26 Aug 2026, 02:51 PM

বিরতির পর ফের খেলা শুরুর জন্য মাঠে নেমে তৈরি হচ্ছিলেন ফ্ল্যামেঙ্গো ও করিন্থিয়ান্সের খেলোয়াড়রা। খেলা শুরুর বাঁশি বাজানোর বদলে রেফারি গেলেন ভিএআর মনিটরের দিকে। বিস্ময় জাগিয়ে ফ্ল্যামেঙ্গোর হোর্হে কারাসকালকে তিনি দেখালেন লাল কার্ড। এ ঘটনায় ব্রাজিলিয়ান ফুটবলে ভিএআরের ব্যবহার নিয়ে চলছে তুমুল আলোচনা-সমালোচনা। 

রাজধানী ব্রাসিলিয়ার মানে গারিঞ্চা স্টেডিয়ামে রোববার ঘটে এই অভাবনীয় ঘটনা। 

ব্রাজিলিয়ান সুপার কাপের ফাইনালে ২-০ ব্যবধানে হারের পথে দ্বিতীয়ার্ধের পুরোটা সময় একজন কম নিয়ে খেলে ফ্ল্যামেঙ্গো। 

প্রথমার্ধের শেষ দিকে করিন্থিয়ান্সের খেলোয়াড়রা অভিযোগ করেন, ব্রেনো বাইদনের মুখে কনুই দিয়ে আঘাত করেছেন কারাসকাল। ব্রাজিলিয়ান মিডফিল্ডার অনেকক্ষণ মাটিতেই শুয়ে থাকেন। 

সেই সময় ভিএআরে রিভিউয়ের দাবি জানান করিন্থিয়ান্সের খেলোয়াড়রা। কিন্তু তখন সেটা করা হয়নি। রেফারি বিরতির বাঁশি বাজালে দুই দলের খেলোয়াড়রা ড্রেসিংরুমে চলে যান, ধরে নেওয়া হয় ঘটনা এখানেই শেষ। 

দুই দলের খেলোয়াড়রা যখন মাঠে ফেরেন, তখন সবাইকে চমকে দিয়ে ভিএআর মনিটরের দিকে যান রেফারি। আগ্রাসী আচরণের জন্য কলম্বিয়ান মিডফিল্ডার কারাসকালকে লাল কার্ড দেখান তিনি। হতবাক হয়ে যায় ফ্ল্যামেঙ্গো।

এতে ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন ফ্ল্যামেঙ্গোর খেলোয়াড়রা। তারা মনে করেন, এই রিভিউ প্রথমার্ধেই হতে পারত। কোচ লুইসের কথাতেও উঠে এলো সেটা। 

“আমি জীবনে এমন কিছু দেখিনি। আমি জানি না, কোথাও এমন কিছু এর আগে কখনও হয়েছে কি না। খেলোয়াড়রা তখন মাঠে অপেক্ষা করেছিল এবং পরে ড্রেসিংরুমে চলে এসেছিল, যেন এরই মধ্যে সেটার রিভিউ হয়ে গেছে। আমরা ১১ জনের বিপক্ষে ১১ জন ধরে পুরো পরিকল্পনা সাজিয়েছিলাম, তারপর এটা ঘটল… আমি হারের জন্য কোনো অভিযোগ দিতে চাই না, তবে আমি এমন কিছু এর আগে কখনও দেখিনি।”

ব্রাজিলিয়ান ফুটবল কনফেডারেশন (সিবিএফ) এই অভাবনীয় দেরির জন্য দায় দিয়েছে বিদ্যুৎ বিভ্রাটকে। তাদের দাবি, অকাট্য প্রমাণ মেলার মতো ছবি না থাকায় প্রথমার্ধে কোনো সিদ্ধান্ত নিতে পারেনি ভিএআর। বিরতির সময় আরও ছবি পাওয়ার পর রেফারিকে তারা মনিটরে পর্যবেক্ষণের পরামর্শ দেয়। সেখানে রিপ্লে দেখে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেন রেফারি।