১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩ আশ্বিন ১৪৩৩

কুড়িগ্রামে ধানের চারা উপড়ে ফেলেছে প্রতিপক্ষ

ব্যক্তিগত বিরোধের কারণে এ ঘটনা ঘটে বলে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক আশরাফুল ইসলাম অভিযোগ করেন।

কুড়িগ্রামে ধানের চারা উপড়ে ফেলেছে প্রতিপক্ষ

কুড়িগ্রাম সদরের ছত্রপুরের ঝাকুয়াপাড়া গ্রামের আশরাফুল ইসলামের জমির রোপা ধানের চারা উপড়ে ফেলেছে প্রতিপক্ষের লোকজ।

জেলা প্রতিনিধি

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 08 Feb 2023, 09:01 PM

Updated : 09 Feb 2023, 03:47 PM

কুড়িগ্রাম সদর উপজেলায় এক কৃষকের ২১ শতক জমিতে রোপা বোরো ধানের চারা উপড়ে ফেলার অভিযোগ উঠেছে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে।

পাঁচগাছী ইউনিয়নের ছত্রপুরের ঝাকুয়াপাড়া গ্রামে মঙ্গলবার রাতে এ ঘটনা ঘটে।

ক্ষতিগ্রস্ত আশরাফুল ইসলাম ছত্রপুরের ঝাকুয়াপাড়া গ্রামের মৃত রহমত আলীর ছেলে। এ ঘটনায় তিনি কুড়িগ্রাম সদর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

স্থানীয় ব্যক্তিগত বিরোধের কারণে এ ঘটনা ঘটে বলে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক আশরাফুল ইসলাম অভিযোগ করেন।  

কুড়িগ্রাম সদর থানার ওসি খান মোহাম্মদ শাহারিয়ার জানান, ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক এ বিষয়ে একটি অভিযোগ দিয়েছেন। তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

অভিযোগে আসামিরা হলেন একই এলাকার আব্দুল মজিদ, লিটন, রিপন ও আব্দুল করিম।

লিখিত অভিযোগে বলা হয়, আশরাফুল ইসলাম দীর্ঘ দিন থেকে নিজের জমিতে ফসল আবাদ করে আসছেন। ১০ দিন আগে বোরো ধানের চারা রোপণ করে আসেন ২১ শতক জমিতে।

বুধবার জমি দেখাশোনা করতে গিয়ে দেখেন ২১ শতক জমির সব ধানের চারা উপড়ে ফেলেছে প্রতিপক্ষের লোকজন।

প্রতিপক্ষের লোকজনের সঙ্গে আগেও একাধিকবার অন্যান্য জমি নিয়ে বিচার শালিস হয়েছিল বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।

আশরাফুল ইসলাম বলেন, “অনেক কষ্ট করে ধানের চারা কিনে জমিতে রোপণ করেছি। জমিতে পানি দিতে এসে দেখি রাতে জমির সব চারা উপড়ে ফেলেছে তারা।”

এখন জমিটা আবার তৈরি করে ধান রোপণ করার সামর্থ্য তার নেই বলে জানান।

আশরাফুলের ছোট ভাই বেলাল হোসেন বাবু বলেন, “আমার বড় ভাই অনেক কষ্ট করে এই জমিতে ধান রোপণ করছে। মজিদের লোকজন এসে রাতের আঁধারে সব ধান উপড়ে ফেলছে। আমরা এর সঠিক বিচার চাই।”

স্থানীয় গ্রামবাসী কাঞ্চন বালা ও আম্বিয়া খাতুন বলেন, আশরাফুল এই জমিতে ধান রোপণ করছে তারা দেখছেন। তবে রাতের আধারে তার জমির রোপণ করা ধানের চারা কে বা কারা উপড়ে ফেলেছে দেখেননি।

তবে মজিদের সঙ্গে জমিজমা নিয়ে আশরাফুলের বিরোধ দীর্ঘদিনের বলে তারা জানান।