ধরলা নদীর ভাঙন ঠেকাতে স্থায়ী বাঁধের দাবিতে কুড়িগ্রামে মানববন্ধন
“স্কুলটি নদীতে তলিয়ে গেলে শত শত শিশুর লেখাপড়া বন্ধ হবে।”
কুড়িগ্রাম সদর উপজেলায় ধরলা নদীর ভাঙন প্রতিরোধ এবং টেকসই বাঁধ নির্মাণের দাবি করেছেন স্থানীয় শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অধিবাসীরা।
রোববার দুপুরে উপজেলার ভোগডাঙ্গা ইউনিয়নের জগমনের চর বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় সংলগ্ন এলাকায় মানববন্ধন থেকে এই দাবি জানানো হয়। এতে চার শতাধিক শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও অভিভাবক অংশ নেন।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, গত কয়েক বছর ধরে ধরলা নদীর ভাঙনে জগমনের চর এলাকার শত শত বিঘা ফসলি জমি ও বসতভিটা বিলীন হয়ে গেছে। বর্তমানে নদীটি প্রাথমিক বিদ্যালয়, স্থানীয় মাদ্রাসা ও মসজিদের একেবারেই কাছাকাছি চলে এসেছে। জরুরি ভিত্তিতে বাঁধ নির্মাণ করা না হলে শত শত পরিবারের মাথা গোঁজার ঠাঁই নদীগর্ভে তলিয়ে যাবে।
স্থানীয় বাসিন্দা কোবাদ আলী আক্ষেপ করে বলেন, “প্রতিবছরই নদী আমাদের ঘরবাড়ি আর জমি কেড়ে নিয়ে নিঃস্ব করছে। স্থায়ী বাঁধ ছাড়া আমাদের বাঁচানোর আর কোনো পথ নেই।”
কাশেম আলী নামে আরেক স্থানীয় বাসিন্দা বলেন, “বিদ্যালয়টি নদীতে ভেঙে গেলে এই দুর্গম চরাঞ্চলের শত শত শিশুর শিক্ষার আলো চিরতরে বন্ধ হয়ে যাবে। আমরা সরকারের কাছে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপের দাবি জানাচ্ছি।”
মানববন্ধন শেষে ভুক্তভোগীরা ধরলা নদীর ভাঙন রোধে অবিলম্বে টেকসই তীর সংরক্ষণ বাঁধ নির্মাণে পানিসম্পদ মন্ত্রণালয় ও স্থানীয় প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেন।
