রাজশাহীর দুই কেন্দ্রে কাউন্সিলর প্রার্থীর সমর্থকদের সংঘর্ষ
“সংঘর্ষের সময় যেসব ভোটার বাইরে ছিলেন তারা পালিয়ে যান, পরিস্থিতি শান্ত হলে তারা এসে ভোটের লাইনে দাঁড়ান“, বলেন প্রিজাইডিং অফিসার।
রাজশাহী সিটি করপোরেশন নির্বাচনে ৪ নম্বর ওয়ার্ডের একটি কেন্দ্রে দুই কাউন্সিলর প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে। এতে ওই কেন্দ্রের থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে।
বুধবার বেলা ১২টার দিকে কাউন্সিলর প্রার্থী আশরাফুল ইসলাম বাবু এবং রুহুল আমিন টুনুর সমর্থকদের মধ্যে এই হাতাহাতির ঘটনা ঘটে বলে কেশবপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রের প্রিজাইডিং অফিসার বিবেকা নন্দন বিশ্বাস জানান।
তিনি বলেন, “ভোটকেন্দ্রের সামনে রাস্তায় দুই কাউন্সিল সমর্থকদের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া হয়েছে। এতে ভোটগ্রহণে কোনো প্রভাব পড়েনি। ভোটগ্রহণ চলমান আছে। তবে সংঘর্ষের সময় যে সব ভোটার বাইরে ছিলেন তারা পালিয়ে যান। পরিস্থিতি শান্ত হলে তারা এসে ভোটের লাইনে দাঁড়ান।“
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সেখানে অবস্থান নিয়েছেন। এই ভোটকেন্দ্রে ভোটারদের ভাল উপস্থিতি রয়েছে।
কাউন্সিলর পদপ্রার্থী রুহুল আমিন টুনু অভিযোগ করেন, “এই কেন্দ্র আমার বাসার পাশে হওয়ায় ভোটার উপস্থিত ব্যাপক হয়। আমার প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী আশরাফুল ইসলাম বাবু এই ভোট বানচাল করতে দেশি অস্ত্র নিয়ে আমার ক্যাম্পে হামলা চালায়।
“এতে আমার বেশ কয়েকজন সমর্থক আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে দুইজনকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।”
অপরদিকে কাউন্সিলর পদপ্রার্থী আশরাফুল ইসলাম বাবুর সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা করে তাকে পাওয়া যায়নি।
আশরাফুল ইসলাম বাবুর বড় ভাই রাজশাহী মহানগর স্বেচ্ছাসেবক লীগের সহ-সভাপতি আনোয়ার হোসেন। তাদের বাড়ির পাশে রয়েছে জুলফিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। সেই কেন্দ্রেও এজেন্টদের মধ্যে হাতহাতির ঘটনা ঘটনা ঘটেছে।
৪ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হিমাদ্রী প্রসাদ রায় লিটন বলেন, “জুলফিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে দুই প্রার্থীর এজেন্টের মধ্যে হাতাহাতির ঘাটনা ঘটে। এর জের ধরে এই কেন্দ্রে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়।”
এদিকে, বাকি কেন্দ্রগুলোতে শান্তিপূর্ণভাবে ভোটগ্রহণ হচ্ছে বলে জানালেন ১৩, ১৪ ও ১৫ নম্বর ওয়ার্ডের সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা শহিদুল ইসলাম।
তিনি বলেন, “১৩, ১৪ ও ১৫ নম্বর ওয়ার্ডে দুপুর ১টা পর্যন্ত ভোট পড়েছে ২৮-২৯ শতাংশ।
