টানা ৮ দিনের ছুটি শেষে বেনাপোল বন্দরে কর্মচাঞ্চল্য
শারদীয় দুর্গাপূজার ছুটি ও সাপ্তাহিক ছুটি মিলিয়ে ১৭ অক্টোবর থেকে ২৪ অক্টোবর পর্যন্ত এ পথে ভারতের সঙ্গে আমদানি-রপ্তানি বন্ধ ছিল।
শারদীয় দুর্গাপূজা ও সাপ্তাহিক মিলে আট দিনের ছুটি শেষে আবারও কর্মচঞ্চল হয়ে উঠেছে যশোরের বেনাপোল স্থলবন্দর।
রোববার সকাল থেকে বেনাপোল ও ভারতের পেট্রাপোল বন্দরের মধ্যে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম পুরোদমে শুরু হয়েছে বলে বেনাপোল কাস্টম হাউজের কার্গো শাখার রাজস্ব কর্মকর্তা রোমেন মিত্র জানান।
এর আগে ১৭ অক্টোবর থেকে ২৪ অক্টোবর পর্যন্ত শারদীয় দুর্গাপূজার ছুটি ও সাপ্তাহিক ছুটি মিলিয়ে টানা ৮ দিন এ পথে আমদানি-রপ্তানি বন্ধ ছিল।
তবে ১৮ ও ১৯ অক্টোবর বেনাপোল স্থলবন্দরে পণ্য উঠানামা, খালাস ও পণ্যের শুল্কায়ন কাজকর্ম স্বাভাবিক ছিল। এপারের বেনাপোল বন্দরে পণ্য খালাসের পর ভারতীয় ট্রাকও দেশে ফিরে গেছে।
এছাড়া জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের এক আদেশে আমদানি-রপ্তানি সংক্রান্ত কার্যক্রম সীমিত আকারে চলমান রাখার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছিল। সে হিসাবে শনিবার বেনাপোল-পেট্রাপোল বন্দরের মধ্যে আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্য শুরু হলেও সার্ভারের সমস্যার কারণে সেটা বন্ধ হয়ে যায়।
বেনাপোল স্থলবন্দরের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক (ট্রাফিক) রুহুল আমিন বলেন, শনিবার দুই দেশের মধ্যে আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্য শুরু হলেও সার্ভারের সমস্যা কারণে এগিয়ে নেওয়া সম্ভব হয়নি।
তবে শনিবার ভারত থেকে আমদানি হয়েছে ৬২ ট্রাক পণ্য আর বাংলাদেশ থেকে ভারতে ৩৬ ট্রাক পণ্য রপ্তানি হয়েছে বলে জানান কার্গো শাখার রাজস্ব কর্মকর্তা রোমেন মিত্র।
বেনাপোল কাস্টমস ক্লিয়ারিং অ্যান্ড ফরোয়ার্ডিং স্টাফ অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক বদরুজ্জামান বনি বলেন, “ছুটির কারণে সীমান্তের দুইপাশে পণ্য ও ট্রাকের জট সৃষ্টি হয়েছে । আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম শুরু হওয়ায় সে ট্রাকের জট কমতে শুরু করেছে। বন্দর থেকে খালাস শুরু হওয়ায় পণ্যজটও কমছে।
তিনি বলেন, “বন্দরে পণ্য লোড-আনলোডের জন্য দুই হাজার হ্যান্ডলিং শ্রমিক কাজে যোগদান করেছে। এছাড়া ব্যবসায়ী, সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট, বন্দর ও কাস্টমসের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা পণ্য খালাসে ব্যস্ত সময় পার করছেন। গোটা বন্দরে আবারও কর্মচাঞ্চল্য ফিরে এসেছে।”
বেনাপোল স্থলবন্দরের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক (ট্রাফিক) রুহুল আমিন বলেন, কাস্টমস ও বন্দরের কর্মকর্তা-কর্মচারী যারা ছুটিতে গিয়েছিলেন সবাই কর্মস্থলে যোগদান করেছে। ব্যবসায়ীরা যাতে বন্দর থেকে আমদানি পণ্য দ্রুত খালাস নিতে পারে সেজন্য সংশ্লিষ্ট সবাইকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
