০৮ অক্টোবর ২০২৬, ২৩ আশ্বিন ১৪৩৩

চাঁদপুরে মেঘনা এক্সপ্রেস ছাড়তে সাড়ে ৩ ঘণ্টা দেরি, ভোগান্তি যাত্রীদের

যাত্রীদের অভিযোগ, ট্রেন বিলম্বের কারণ জানানো হলেও ট্রেন কখন ছাড়বে, সে বিষয়ে শুরুতে স্পষ্ট কোনো তথ্য দেওয়া হয়নি।

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম নিউজ সার্ভিস

Published : 08 Oct 2026, 11:04 AM

Updated : 08 Oct 2026, 11:04 AM

চাঁদপুর থেকে চট্টগ্রামগামী মেঘনা এক্সপ্রেস নির্ধারিত সময়ে ছেড়ে না যাওয়ায় চরম ভোগান্তিতে পড়েন যাত্রীরা।

বৃহস্পতিবার ভোর ৫টায় ট্রেনটি চাঁদপুর রেলস্টেশন থেকে ছেড়ে যাওয়ার কথা থাকলেও সাড়ে তিন ঘণ্টা পর সকাল সাড়ে ৮টায় সেটি স্টেশন ছেড়ে যায় বলে জানিয়েছেন চাঁদপুর রেলওয়ে স্টেশন মাস্টার মারুফ হোসেন।

রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, লাকসামে রেললাইনের ওপর একটি বড় লরি পড়ে যাওয়ায় ওই পথে রেল চলাচল ব্যাহত হয়।

বৃহস্পতিবার ভোর থেকেই চট্টগ্রামগামী মেঘনা এক্সপ্রেসে ওঠার জন্য চাঁদপুর রেলস্টেশনে ভিড় করেন যাত্রীরা। নির্ধারিত সময় ভোর পাঁচটা পার হয়ে গেলেও ট্রেনটি স্টেশনেই দাঁড়িয়ে থাকে।

ট্রেনটি কখন ছাড়বে, তা নিয়ে দীর্ঘ সময় অনিশ্চয়তায় ছিলেন যাত্রীরা। বিশেষ করে পরিবার ও শিশুদের নিয়ে আসা যাত্রীদের দুর্ভোগ ছিল বেশি। সময় গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে যাত্রীদের মধ্যে ক্ষোভ ও উৎকণ্ঠাও বাড়তে থাকে ।

অনেকের নির্ধারিত কর্মসূচি, পরীক্ষা, ব্যবসায়িক কাজ বা অন্য গন্তব্যে পৌঁছানোর সময়সূচি ছিল। ট্রেন বিলম্বের কারণে তাঁদের এসব পরিকল্পনাও অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়ে।

চট্টগ্রাম যেতে পরিবার নিয়ে রাত সাড়ে ৩টার দিকে স্টেশনে এসেছিলেন ফারুক। তিনি বলেন, “সময়মতো ট্রেনে উঠতে এত আগে পরিবার নিয়ে স্টেশনে এসেছি। কিন্তু নির্ধারিত সময়ে ট্রেন ছাড়েনি। ছোট-বড় সবাইকে নিয়ে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হয়েছে।”

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে ঘুরতে যাওয়ার জন্য বন্ধুদের সঙ্গে স্টেশনে এসেছিলেন ইব্রাহিম। তিনি বলেন, “ভোর ৫টায় ট্রেন ছাড়ার কথা ছিল। কিন্তু দীর্ঘ সময় ট্রেন ছাড়েনি। কখন ছাড়বে, সেটিও নিশ্চিত করে কেউ বলতে পারছিল না। এতে খুবই ভোগান্তি হয়েছে।”

যাত্রীদের অভিযোগ, ট্রেন বিলম্বের কারণ জানানো হলেও ট্রেন কখন ছাড়বে, সে বিষয়ে শুরুতে স্পষ্ট কোনো তথ্য দেওয়া হয়নি। ফলে অনেকে বিকল্প পথে গন্তব্যে যাওয়ার সিদ্ধান্তও নিতে পারছিলেন না।

চাঁদপুর রেলওয়ে স্টেশন মাস্টার মারুফ হোসেন বলেন, “লাকসামে লরি পড়ে বন্ধ হওয়া রেললাইন সচল করার কাজ চলছিল। রেললাইন সচল হওয়ার পর মেঘনা এক্সপ্রেস চট্টগ্রামের উদ্দেশে ছেড়ে যায়।”