Published : 22 Aug 2026, 09:04 PM
স্বাধীনতার কবি শামসুর রাহমানকে শ্রদ্ধা ও ভালোবাসায় স্মরণ করা হয়েছে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায়।
শনিবার বিকালে তিতাস আবৃত্তি সংগঠনের উদ্যোগে কথা ও কবিতায় স্মরণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
তিতাস আবৃত্তি সংগঠনের সাবেক সহকারী পরিচালক স্বপন কুমার দেবনাথের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন সহকারী পরিচালক উত্তম কুমার দাস।
সংগঠনটির সহকারী পরিচালক সুজন সরকার ও আবৃত্তি সংগঠক ফাহিমা সুলতানার পরিচালনায় শামসুর রাহমানের জীবন ও সৃজনশীলতা নিয়ে আলোচনা করেন অধ্যাপক মোমিন খান, উন্নয়ন সংগঠক তাপসী রায়, তরুণ উদ্যোক্তা কাজী জসীম উদ্দিন এবং সোনালী সকালের সাংগঠনিক সম্পাদক জোবায়েদ আহমেদ।
এ সময় একক আবৃত্তি করেন সাবিহা বিনতে শামীম, সামিহা বিনতে শামীম, স্পন্দন কর, ঝুম বিশ্বাস, ফারিহা আফরোজ জেসি, তায়িবা জামান ওহি, লুবাবা মাহজুজা, আপন বিশ্বাস, অর্পা মিত্র ভৌমিক, মোজাম্মেল আহমেদ, তাসফিয়া ইসলাম প্রমি, ফারদিয়া আশরাফী নাওমি, ফাহিমা সুলতানা, আনিসুর রহমান, সানজিয়া আফরিন এবং মো. সুজন সরকার।
তিতাস আবৃত্তি সংগঠনের সহকারী পরিচালক সুজন সরকার বলেন, কবি শামসুর রাহমানের প্রয়াণের পর থেকেই তিতাস আবৃত্তি সংগঠন তাকে স্মরণ করে নানান কর্মসূচি পালন করে আসছে। এরই ধারাবাহিকতায় কথা ও কবিতার মাধ্যমে তাকে স্মরণ করা হয়।
সভাপতির বক্তব্যে স্বপন কুমার দেবনাথ বলেন, বাঙালির ভাষা আন্দোলন, স্বাধিকার, স্বায়ত্তশাসন ও মুক্তিযুদ্ধের সময় কবি শামসুর রাহমানের লেখা কবিতা প্রেরণা জুগিয়েছে। তার কবিতা ও লেখা মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উজ্জীবিত করতে সহায়তা করে। তিনি স্বাধীনতার কবি হিসেবে সমাদৃত।
২৩ অক্টোবর ১৯২৯ সালে ঢাকার পুরান ঢাকার মাহুতটুলিতে জন্মগ্রহণ করেন শামসুর রাহমান। তার পৈতৃক নিবাস নরসিংদীর রায়পুরা থানার পাড়াতলী গ্রামে। কবিতার পাশাপাশি তিনি উপন্যাস, প্রবন্ধ ও আত্মজীবনীমূলক রচনায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন।
২০০৬ সালের ১৭ অগাস্ট ঢাকার একটি হাসপাতালে মারা যান তিনি। পরে মহান এই কবিকে বনানী কবরস্থানে দাফন করা হয়।