Published : 26 Aug 2026, 06:55 PM
দেশে নতুন করে কোনও শিক্ষানীতি তৈরি না করার কথা বলেছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ।
তিনি বলেছেন, “২০১০ সালের শিক্ষানীতিকে অনুসরণ করেই প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়নে শিক্ষক ও প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের জন্য পৃথক নীতিমালা তৈরিতে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে।”
বুধবার দুপুরে চাঁপাইনবাবগঞ্জের শহীদ সাটু হলে প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়ন ও ফিডিং কর্মসূচির ওরিয়েন্টেশন সভায় এ কথা বলেন তিনি।
শিক্ষক নিয়োগ, পদোন্নতি ও বদলি ব্যবস্থাপনার জন্য আলাদা ‘টিচার পলিসি’ তৈরির পাশাপাশি প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের কাজের মনিটরিং ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে নতুন নীতিমালা প্রণয়নের কাজ চলছে বলে জানিয়েছেন গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী।
প্রাথমিক শিক্ষার কারিকুলামে পরিবর্তন আনা হচ্ছে জানিয়ে ববি হাজ্জাজ বলেন, বাংলা ও গণিতের মত ভিত্তিমূলক শিক্ষার ওপর আরও গুরুত্ব দেওয়া হবে। পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের মধ্যে নাগরিক সচেতনতা গড়ে তুলতে ‘সিভিক’ ও ‘অ্যাক্টিভ এডুকেশন’ যুক্ত করা হচ্ছে। সেইসঙ্গে চতুর্থ ও পঞ্চম শ্রেণিতে খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক কার্যক্রমও অন্তর্ভুক্ত করা হবে।
“প্রতিটি শিশুকে স্কুলে নিয়ে আসা এবং তাদের মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করাই সরকারের মূল লক্ষ্য। এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় সংস্কার করা হচ্ছে”, বলেন গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী।
প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ‘ফিডিং’ কর্মসূচি নিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, দেশের ৬৫ হাজারেরও বেশি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিগগিরই মিড-ডে মিল পৌঁছে দেওয়া হবে। এর আগে কর্মসূচিতে যেসব ভুলত্রুটি ছিল, সেগুলো সংশোধন করে স্কুল ফিডিং কার্যক্রমকে আরও কার্যকর করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
তিনি বলেন, শুধু শিক্ষার্থীকে বিদ্যালয়ে নিয়ে আসাই যথেষ্ট নয়, সেখানে মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করাও জরুরি। এ জন্য শিক্ষক, প্রশাসন ও কারিকুলাম- সব ক্ষেত্রেই প্রয়োজনীয় পরিবর্তন আনা হচ্ছে।চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা প্রশাসক আবু সালেহ মো. মুসার সভাপতিত্বে ওরিয়েন্টেশন সভায় সংসদ সদস্য মো. নুরুল ইসলাম বুলবুল এবং জেলা পরিষদের প্রশাসক হারুনুর রশীদ বক্তব্য দেন। এ সময় প্রাথমিক শিক্ষার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা, শিক্ষক ও স্থানীয় প্রশাসনের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।