১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩ আশ্বিন ১৪৩৩

শিক্ষার্থীদের দক্ষতা বাড়াতে গোপালগঞ্জ প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘স্বনির্ভর কর্মসূচি’

তিন মাসব্যাপী এ কর্মসূচিতে ৩৪ বিভাগের ১০০ শিক্ষার্থী অ্যাকাডেমিক শিক্ষার পাশাপাশি পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধির সুযোগ পাবেন।

গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 26 Jun 2025, 09:48 PM

Updated : 26 Aug 2026, 01:16 PM

গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের পেশাগত দক্ষতা বাড়াতে ‘স্বনির্ভর কর্মসূচি’  শুরু হয়েছে। 

ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা দপ্তরের আয়োজনে বৃহস্পতিবার দুপুরে এ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক হোসেন উদ্দিন শেখর।

ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা দপ্তরের পরিচালক মো. বদরুল ইসলামের সভাপতিত্বে বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাকাডেমিক ভবনে শুরু হওয়া এ অনুষ্ঠানে উপ-উপাচার্য অধ্যাপক মো. সোহেল হাসান, ট্রেজারার অধ্যাপক মোহাম্মদ নাজমুল আহসান, সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন মোহাম্মদ আনিসুর রহমান এবং প্রক্টর আরিফুজ্জামান রাজীব বক্তব্য দেন।

বদরুল ইসলাম বলেন, এ কর্মসূচির আওতায় প্রথম পর্যায়ে (১ জুলাই থেকে ৩০ সেপ্টেম্বর) তিন মাসব্যাপী ৩৪টি বিভাগের ১০০ শিক্ষার্থী অ্যাকাডেমিক শিক্ষার পাশাপাশি পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধির সুযোগ পাবেন। 

নিরাপত্তা বন্ধু, মেডিকেল বন্ধু, পাঠাগার বন্ধু, পরিবহন বন্ধু, প্রকৌশল বন্ধু, ডে কেয়ার বন্ধু ও হল বন্ধুসহ আটটি সেবামূলক কাজে তারা অন্তর্ভুক্ত হবেন। আটজন শিক্ষকের তত্ত্বাবধানে শিক্ষার্থীরা দায়িত্ব পালন করবেন। এ কাজের জন্য তাদের সনদ প্রদান করা হবে। পর্যায়ক্রমে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা এ সুযোগ পাবেন। 

ট্রেজারার অধ্যাপক মোহাম্মদ নাজমুল আহসান বলেন, “বিদেশে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার পাশাপাশি কাজ করার সুযোগ থাকে। অথচ আমাদের ছাত্ররা বিভিন্ন ব্যবসা বা ব্যবসা প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করেন। 

“সেই জায়গায় পরিবর্তন আনার ক্ষেত্রে বড় ভূমিকা পালন করবে ‘স্বনির্ভর কর্মসূচি’। এই ছোট ছোট কর্মদক্ষতাগুলো তাদের ভবিষ্যৎ জীবনে কাজে লাগবে।”

উপাচার্য অধ্যাপক হোসেন উদ্দিন শেখর বলেন, “এ কর্মসূচির মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালনার সব উপাদান সম্পর্কে প্রাথমিক ধারণা পাবেন। এতে পড়াশোনার পাশাপাশি তারা আর্থিক ও অভিজ্ঞতার দিক থেকে সমৃদ্ধ হবেন।

“অন্যদিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিদ্যমান সমস্যাগুলো শিক্ষার্থীদের মাধ্যমে চিহ্নিত হলে আমাদের কাজ করতে সুবিধা হবে।”

বর্তমান প্রশাসন বিশ্ববিদ্যালয়কে নির্দিষ্ট লক্ষে এগিয়ে নিতে দৃঢ়ভাবে কাজ করেছে; শিক্ষার্থীরা সেই লক্ষ্য বাস্তবায়নে সহায়ক হবে বলে মনে করেন উপাচার্য।