১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩ আশ্বিন ১৪৩৩

ঝালকাঠিতে ওসমান হাদির স্মরণে ‘গ্রাফিতি’

এসব গ্রাফিতিতে লেখা ছিল- ‘জান দেবো, জুলাই দেবো না’, আমি আমার শত্রুর সাথেও নূন্যতম ইনসাফ করতে চাই’ সহ হাদির বলা নানা উক্তি।

ঝালকাঠি প্রতিনিধি

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 25 Dec 2025, 04:39 PM

Updated : 26 Aug 2026, 05:24 PM

ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শরিফ ওসমান হাদির স্মরণে নিজ জেলা ঝালকাঠিতে বিভিন্ন দেয়ালে চিত্র অঙ্কন বা ‘গ্রাফিতি’ করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার দিনব্যাপী এ কার্যক্রমের আয়োজন করেন জেলা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতাকর্মীরা।

এসব গ্রাফিতিতে লেখা ছিলো- ‘জান দেবো, জুলাই দেবো না’, আমি আমার শত্রুর সাথেও নূন্যতম ইনসাফ করতে চাই’ সহ হাদির বলা নানা উক্তি। যার মধ্য দিয়ে রং ও রেখায় ফুটে ওঠে হাদির সংগ্রাম, সাহস ও আত্মত্যাগের ইতিহাস।

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ঝালকাঠি জেলার যুগ্ম আহ্বায়ক ইয়াসিন ফেরদৌস ইফতি বলেন, “ওসমান হাদি ভাইয়ের রেখে যাওয়া সংগঠন ইনকিলাব মঞ্চ থেকে কর্মসূচির ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। সেই কর্মসূচির অংশ হিসেবে গ্রাফিতির কাজ শুরু করেছি। সমানে আমরা আরও গ্রাফিতি করবো। 

“ওসমান ভাইয়ের স্মৃতি আমাদের মাঝে সবসময় থাকে। সে যে ভারতের বিপক্ষে এবং আগ্রাসনের বিরুদ্ধে সবসময় কাজ করেছে সেই স্মৃতি যেনো সবসময় আমাদের মাঝে থাকে।”

জুলাই অভ্যুত্থান এবং আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের আন্দোলনের মধ্য দিয়ে পরিচিতি পাওয়া শরিফ ওসমান হাদি ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-৮ আসন থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা দিয়েছিলেন। গত ১২ ডিসেম্বর গণসংযোগের জন্য বিজয়নগর এলাকায় গিয়ে তিনি আক্রান্ত হন।

চলন্ত রিকশায় থাকা হাদিকে গুলি করেন চলন্ত মোটরসাইকেলের পেছনে বসে থাকা আততায়ী। গুলিটি লাগে হাদির মাথায়।

গুরুতর আহত হাদিকে দ্রুত ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে অস্ত্রোপচার করার পর রাতেই তাকে ঢাকার এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে ১৮ ডিসেম্বর সিঙ্গাপুরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় হাদির মৃত্যু হয়।

হামলার ঘটনায় গত ১৪ ডিসেম্বর ইনকিলাব মঞ্চের সদস্য সচিব আব্দুল্লাহ আল জাবের বাদী হয়ে হত্যাচেষ্টা মামলা করেন, যা হাদির মৃত্যুর পর হত্যা মামলায় রূপান্তর হয়।