১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২ আশ্বিন ১৪৩৩

বাগেরহাট-২: স্বতন্ত্র প্রার্থীর নির্বাচনি অফিস দখলের অভিযোগ ধানের শীষের বিরুদ্ধে

“এখানে যারা ধানের শীষ নিয়ে নির্বাচন করতেছে, তারা মনে করতেছে তারা ক্ষমতায় বসে আছে। তা না হলে এত কিছু দখল করতে পারে নাকি?।

বাগেরহাট প্রতিনিধি

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 04 Feb 2026, 04:57 PM

Updated : 26 Aug 2026, 02:51 PM

বাগেরহাট-২ (সদর ও কচুয়া) আসনর স্বতন্ত্র প্রার্থী এম এ এইচ সেলিম

সংবাদ সম্মেলন ডেকে তার নির্বাচনি অফিস দখলের অভিযোগ করেছেন।  

বুধবার দুপুরে জেলা ট প্রেসক্লাব মিলনায়তনে সংবাদ সম্মেলন করে ওই অভিযোগ করেন জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ও সাবেক এ সংসদ সদস্য। 

সেলিম বলেন, “বাগেরহাট-২ আসনে আমার নির্বাচনি প্রচারে কিছু সন্ত্রাসী বাহিনী বাধা দিচ্ছে। ষাটগম্বুজ ও খানপুর ইউনিয়নসহ বিভিন্ন স্থানে আমার প্রচারণার মাইক ঢুকতে দিচ্ছে না; ভাঙচুর করেছে। নারীদের হুমকি দিচ্ছে।” 

মঙ্গলবার রাতে সদর উপজেলার যাত্রাপুর বাজার এলাকায় নির্বাচনি কার্যালয় দখল করার অভিযোগও করেন এ স্বতন্ত্র প্রার্থী। 

সেলিমের অভিযোগ, সেখানে তার ‘ঘোড়া মার্কার’ ব্যানার নামিয়ে জাকির সাহেবের (ধানের শীষ) ব্যানার টাঙ্গিয়ে দরজায় তালা দিয়ে অফিস দখল করেছে।

এর আগে কর্মীদের মারধর করার হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি। 

এসব বিষয়ে পুলিশ প্রশাসন ও রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে অভিযোগ দিয়েছেন জানিয়ে সেলিম বলেন, “লেভেল প্লেইং ফিল্ড কোথায়? আমরা প্রশাসনের কাছে প্রতিকার চেয়েও পাচ্ছি না। আমি বলতে চাই সরকার যেন এদের কঠোর হস্তে দমন করে। প্রধান নির্বাচন কমিশনের কাছে আগামী সংসদ নির্বাচনে সুষ্ঠু পরিবেশ বজায় রাখতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানাচ্ছি। 

“যাত্রাপুরে অফিস দখলের পর আমাদের পক্ষ থেকে অভিযোগ করলে সেখানে পুলিশ ও ম্যজিস্ট্রেট গেছে। তারা সব সরায়ে দিয়ে আসছে। পরে আবারও তারা গিয়ে অফিস দখল করে নিছে। আমাদের লোক একটু দূরে গেছিলো। এসে দেখে যে জাকির সাহেবের ব্যানার টানানো।”

তিনি বলেন, “এখানে যারা ধানের শীষ নিয়ে নির্বাচন করতেছে, তারা মনে করতেছে তারা ক্ষমতায় বসে আছে। তা না হলে এত কিছু দখল করতে পারে নাকি। এখানে ৫ অগাস্টের পর থেকে কি পরিমাণ দখল-লুটপাট হয়েছে আপনা ভালো জানেন।”

জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক গোলাম মো. বাতেন সাংবাদিকদের বলেন, “কিছু পাল্টাপাল্টি অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে। যেগুলো লিখিত অভিযোগ পেয়েছি, সেগুলো ইলেকট্রনিক ইনকয়ারি কমিটিতে পাঠিয়েছি। 

“আমাদের এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট ও পুলিশ সেখানে গেছে। তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”