Published : 19 Mar 2026, 02:29 PM
ঈদকে কেন্দ্র করে রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া ফেরিঘাট এলাকায় ঘরমুখী মানুষের স্রোত বেড়েছে।
তবে যাত্রীদের ভিড় বাড়লেও বৃহস্পতিবার সকাল থেকে কোনো প্রকার ভোগান্তি ছাড়াই নির্বিঘ্নে নদী পার হতে পারছেন সাধারণ মানুষ ও যানবাহন।
ভোগান্তিহীন ঈদযাত্রা নিশ্চিত করতে ঘাট কর্তৃপক্ষ ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে। যাত্রীদের নিরাপত্তায় ঘাট এলাকায় রয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা।
বিআইডব্লিউটিসি দৌলতদিয়া ঘাট শাখার এজিএম মো. সালাহউদ্দিন বলছিলেন, “বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ঘাট এলাকায় যাত্রী ও যানবাহনের চাপ বাড়লেও নেই ভোগান্তি।”
“যাত্রীরা যাতে নির্বিঘ্নে পারাপার করতে পারে তার জন্য ছোট-বড় মিলিয়ে ১৭টি ফেরি এবং ২০টি লঞ্চের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।”
সরেজমিনে দেখা যায়, মানিকগঞ্জের পাটুরিয়া ফেরিঘাট থেকে আসা প্রতিটি ফেরি ও লঞ্চে চোখে পড়ার মতো যাত্রী ছিল। দৌলতদিয়া ফেরি ও লঞ্চঘাটে নেমে যাত্রীরা মাহেন্দ্র ও মোটরসাইকেলে চড়ে তাদের গন্তব্যে চলে যাচ্ছেন।
এদিকে ঘাটে যানজট না থাকায় দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চল থেকে আসা যানবাহনগুলো সরাসরি ফেরিতে ঢাকায় চলে যাচ্ছে।
ঢাকা থেকে আসা মাগুরাগামী সোলেমান মোল্লা বলেন, “পরিবারের সঙ্গে ঈদ করতে গ্রামের বাড়িতে যাচ্ছি। পথে কোনো ভোগান্তি নেই। ফেরি ঘাটও পার হয়েছি ভোগান্তি ছাড়াই। এখন বাড়ির পথ ধরব।”
কুষ্টিয়াগামী যাত্রী তাসলিমা আক্তার বলেন, “গাবতলী থেকে বাসে উঠে পাটুরিয়া ঘাটে এসেছি। এরপর ফেরিতে নদী পাড় হয়ে দৌলতদিয়া ঘাটে এসে পৌছালাম। সড়ক ও ঘাটের পরিবেশ খুবই ভালো।
ঝিনাইদাহগামী যাত্রী মমিন মোল্লা বলেন, “পদ্মা সেতু চালুর আগে যে ভোগান্তি ছিল, তা এখন নেই। ভোগান্তি ছাড়াই বাড়ি ফিরছি এতে খুশি। তবে দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া রুটে পদ্মা সেতু হলে আমাদের আরও ভালো হতো।”
চুয়াডাঙ্গাগামী ‘নদীয়া ডিলাক্সের’ চালক সামসুল আলম বলেন, “পরিবেশ খুব ভালো। আমরা এরকম পরিবেশই চাই। পথে কোনো ভোগান্তি নেই, ফেরি ঘাটেও নেই।”