Published : 14 Aug 2026, 10:20 AM
শেরপুরে যৌতুকের দাবিতে স্ত্রীকে নির্যাতনের মামলায় পুলিশ সদস্যকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।
বৃহস্পতিবার বিকালে শেরপুর সদর সি আর আমলি আদালতের বিচারক সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট সুলতান মাহমুদ মিলন এ আদেশ দেন বলে জানিয়েছেন আদালতের পুলিশ পরিদর্শক মো. জিয়াউর রহমান।
জিয়াউর রহমান বলেন, বৃহস্পতিবার ওই পুলিশ সদস্য আদালতে হাজির হয়ে জামিন আবেদন করলে বিচারক জামিন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
কারাগারে পাঠানো মো. সোহাগ মিয়া (২৯) শেরপুর সদর উপজেলার সূর্য্যদী মধ্যপাড়া গ্রামের প্রয়াত আবুল হাসেনের ছেলে। তিনি কনস্টেবল হিসেবে বর্তমানে বান্দরবান জেলা পুলিশ লাইনসে কর্মরত রয়েছেন।
মামলার নথি থেকে জানা গেছে, ২০১৯ সালের ১৫ ডিসেম্বর সোহাগ মিয়ার সঙ্গে বিয়ে হয় সদর উপজেলার বয়ড়া পরাণপুর গ্রামের মো. আজাদ মিয়ার মেয়ে মোছা. লাকী আক্তারের। দাম্পত্যজীবনে তাদের সংসারে দুটি সন্তান রয়েছে।
মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে, বিয়ের সময় মোটা অঙ্কের যৌতুক দেওয়ার পরও সোহাগ মিয়া আরও যৌতুকের জন্য তার স্ত্রী লাকীকে নির্যাতন শুরু করেন। একপর্যায়ে চলতি বছরের ২৪ জুন পাঁচ লাখ টাকা যৌতুকের দাবিতে লাকীকে মারধর করে বাড়ি থেকে তাড়িয়ে দেন সোহাগ।
পরে ২৯ জুন স্বামীর বিরুদ্ধে শেরপুরের আদালতে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ১১(গ) ধারায় মামলা করেন লাকী। এই মামলায় জামিন নিতে বৃহস্পতিবার আদালতে আসেন সোহাগ। কিন্তু আদালত তার জামিন না মঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেয়।
জিয়াউর রহমান বলেন, আদালতের নির্দেশনা মোতাবেক সোহাগ মিয়াকে জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছ।