Published : 28 Feb 2026, 04:44 PM
গাজীপুরের শ্রীপুরে গজারি বন এবং সদরে পতিত মাঠ থেকে দুই জনের আগুনে পোড়া মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
এর মধ্যে শনিবার সকালে শ্রীপুরে তেলিহাটি ইউনিয়নের বৃন্দাবন এলাকা থেকে অজ্ঞাত তরুণ ও দুপুরে সদর উপজেলার ভবানীপুর এলাকা থেকে মাদ্রাসা ছাত্রের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
মরদেহ দুটি ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।
শ্রীপুর থানার ওসি মোহাম্মদ নাছির আহমদ বলেন, সকালে স্থানীয়দের মাধ্যমে বৃন্দাবন এলাকায় নির্জন গজারী বনে আগুনে পোড়া মরদেহ পড়ে থাকার খবর পেয়ে ঘটনাস্থল হতে তা উদ্ধার করা হয়েছে।
আনুমানিক ২০ বছর বয়সী তরুণের পরিচয় শনাক্ত করতে পারেনি পুলিশ।
এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন। পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) এবং পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে।
লাশের ময়নাতদন্তের পাশপাশি ডিএনএ প্রোফাইল সংরক্ষণ করার জন্য প্রয়োজনীয় অন্যান্য আনুষাঙ্গিক কার্যক্রম গ্রহণ করা হবে।
ওসি নাছির আহমদ বলেন, “থানায় মিসিং ডায়েরিগুলো পর্যবেক্ষণ করবো এবং পার্শ্ববর্তী থানাগুলোতে এ বয়সের কোনো লোক মিসিং আছে কিনা সেটা আমরা খবর নিয়ে দেখবো।”
তিনি বলেন, ধারণা করা হচ্ছে, যুবককে হত্যার পর মরদেহ গুম করতেই নির্জন গজারী বনের পাশে এনে তার মরদেহ পুড়িয়ে দেয়া হয়েছে। মরদেহ পোড়াতে দাহ্য পদার্থ ব্যবহার করা হয়েছে।
এদিকে জয়দেবপুর থানার ওসি মো. তরিকুল ইসলাম বলেন, ভবানীপুর এলাকার মায়ের দোয়া হোটেলের পেছনের পতিত মাঠ থেকে মাদ্রাসা শিক্ষার্থীর পোড়া মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
নিহত মাহাবুর ইসলাম রনি (১৪) ময়মনসিংহ জেলার গৌরীপুর থানার দৌলতপুর গ্রামের সোহাগ মিয়ার ছেলে। তিনি পরিবারের সঙ্গে ভবানীপুর এলাকায় মোশারফ হোসেনের বাড়িতে ভাড়া থেকে স্থানীয় মাদ্রাসায় পড়ালেখা করতেন।
শুক্রবার সন্ধ্যা থেকে তিনি নিখোঁজ ছিলেন। স্বজনেরা রাতে বিভিন্ন জায়গায় খোজাখুজি করেও তার সন্ধান পায়নি।
শনিবার সকালে স্থানীয়রা আগুনে পোড়া মরদেহ দেখতে পেয়ে পুলিশে খবর দেয়। পরে তার পরিবার গিয়ে মরদেহ শনাক্ত করে।
মরদেহ উদ্ধার ময়নাতদন্তের হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এ বিষয়ে তদন্ত শুরু করা হয়েছে বলেও জানান এ পুলিশ কর্মকর্তা।