২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭ আশ্বিন ১৪৩৩

দিনাজপুরে দাম না পেয়ে ভাগাড়ে ছাগলের চামড়া

দিনাজপুরের কোরবানির ছাগলের চামড়া সংগ্রহের পর ন্যায্য দাম না পেয়ে ভাগাড়ে ফেলে দিয়েছেন মৌসুমি ব্যবসায়ীরা।

দিনাজপুর প্রতিনিধি

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 12 Jul 2022, 12:18 PM

Updated : 25 Oct 2022, 10:55 AM

কোরবানির পর শহরের রামনগর চামড়া বাজারে ফেলে দেওয়া এসব চামড়া সোমবার সকালে পৌরসভার বর্জ্যবাহী গাড়িতে নিয়ে তা নির্ধারিত ডাম্পিং স্টেশনে ফেলতে দেখা যায়।

কয়েকজন কোরবানিদাতা ও মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ছাগলের চামড়া বিক্রি করতে না পেরে তারা নিজ উদ্যোগে মাটিতে পুঁতে দিয়েছেন।

দিনাজপুর পৌরসভার প্যানেল মেয়র তৈয়ব আলী দুলাল জানান, তাদের বর্জ্যবাহী গাড়ি সোমবার সকালে রামনগর চামড়া বাজার থেকে ছাগলের কয়েকশ চামড়া তুলে নিয়ে পৌরসভার ডাম্পিংয়ে ফেলে।

দিনাজপুর শহরের কাওগাঁ এলাকার মৌসুমি চামড়া ব্যবসায়ী সোলায়মান ও বিরল উপজেলার হুসেন আলী জানান, অনেক মৌসুমি ব্যবসায়ী ছাগলের চামড়া বিক্রিই করতে পারেননি; রামনগর চামড়া বাজারে ছাগলের শত শত চামড়া ফেলে রেখে চলে গেছেন তারা। কারণ চামড়া ফেরত নিয়ে গেলে বাড়তি খরচ তাদেরই করতে হবে।

এ পরিস্থিতির কারণ জানতে চাইলে প্যানেল মেয়র জানান, সরকার ছাগলের প্রতি বর্গফুট চামড়ার দাম নির্ধারণ করেছে ১৮ থেকে ২০ টাকা। কিন্তু একটি পূর্ণাঙ্গ ছাগলের চামড়াও ১০ টাকায় বিক্রি করতে পারেনি মৌসুমি বিক্রেতারা। কারণ আড়তে ছাগলের চামড়ার কোনো চাহিদা ছিল না।

তিনি বলেন, “আমার পরিচালিত দুটি মাদ্রাসাসহ শহরের কয়েকটি মাদ্রাসা থেকে সংগ্রহ করা ছাগলের চামড়া বিক্রি করতে না পেরে অনেক মৌসুমি ব্যবসায়ী নিজ উদ্যোগে মাটিতে পুঁতে দিয়েছেন। আমার জানা মতে, অনেক কোরবানিদাতাও চামড়া বিক্রি করতে না পেরে একই পথ অনুসরণ করেছেন।”

ছাগলের চামড়া ফেলে দেওয়ার কথা স্বীকার করে দিনাজপুর চামড়া মালিক গ্রুপের সভাপতি জুলফিকার আলী স্বপন বলেন, “ট্যানারিগুলোতে ছাগলের চামড়ার কোনো চাহিদা নেই। চামড়া কেনার পর তা প্রক্রিয়াজাত করতে খরচ আছে। ফলে এই চামড়া ক্রয়ে কেউ ঝুঁকি নেননি।”