ধর্ষণের ‘প্রমাণ মেলেনি’, ফেনীর সেই কনস্টেবলের জামিন

ফেনীর সেই কনস্টেবলের বিরুদ্ধে ডিএনএ টেস্টে ধর্ষণের প্রমাণ না পেয়ে জামিন দিয়েছে আদালত।

ফেনী প্রতিনিধিবিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
Published : 24 June 2021, 05:11 AM
Updated : 24 June 2021, 07:14 AM

বুধবার দুপুরে ফেনীর জেলা ও দায়রা জজ জেবুন্নেছা এই আদেশ দেন বলে জানান আসামিপক্ষের আইনজীবী ফজলুল হক ছোটন।

পুলিশের কনস্টেবল তৌহিদুল ইসলাম শাওন ফেনীর ফুলগাজী উপজেলার বশিকপুর এলাকার আমিনুল ইসলামের ছেলে। গত ২৭ ফেব্রুয়ারি গ্রেপ্তার হওয়ার পর চাকরি থেকে সাময়িক বরখাস্ত হন তিনি।

বুধবার রাতে তিনি ফেনী জেলা কারাগার থেকে জামিনে ছাড়া পান।

আইনজীবী ফজলুল হক বলেন, শাওনের বিরুদ্ধে অভিযোগ, বিয়ের প্রলোভন দিয়ে এক কিশোরীকে কয়েকবার ধর্ষণ করলে কিশোরী অন্তঃসত্ত্বা হয়। গত ১২ ফেব্রুয়ারি কিশোরীর মেয়েসন্তানের জন্ম হয়। গত ২৫ ফেব্রুয়ারি কিশোরীর মা ফুলগাজী থানায় মামলা করেন। মামলায় শাওনসহ চারজনকে আসামি করা হয়। মামলার অন্য আসামিরা হচ্ছেন শাওনের বাবা আমিনুল ইসলাম, মা শানু ও মামা ফিরোজ আহম্মদ বাবু।

মামলায় অভিযোগ করা হয়, বেড়াতে যাওয়ার কথা বলে ফেনী শহরের কোনো একটি বাসায় নিয়ে ফলের রসের সঙ্গে চেতনানাশক খাইয়ে কিশোরীকে ধর্ষণ করেন শাওন। পরে আরও কয়েকবার ধর্ষণের ফলে সে অন্তঃসত্ত্বা হয়।

আইনজীবী ফজলুল বলেন, “মামলায় যেসব দিনে ধর্ষণের অভিযোগ আনা হয়েছে, সেসব দিনে শাওন চাকরিতে কর্মরত ছিলেন বলে তদন্ত কর্মকর্তারা আদালতে প্রতিবেদন দিয়েছেন। তাছাড়া ডিএনএ টেস্টে প্রমাণিত হয়েছে, শাওন ওই কিশোরীর মেয়ের বাবা নন।”

এ বিষয়ে বাদীপক্ষের আইনজীবী নূরুল আফসার মুকুল দাবি করেন, “ডিএনএ টেস্টে অসংগতি আছে। ডিএনএ টেস্টের সব নিয়ম তারা পালন করেননি। আমরা ন্যায় বিচার পাওয়ার আশায় আবেদন করেছি। তাছাড়া কিশোরীর মেয়ের বাবা কে তা সরকারকে খুঁজে বের করতে হবে।”

প্রকৃত অপরাধীকে খুঁজে বের করার দাবি করেছেন তিনি।

কিশোরীর সাড়ে ৩ মাস বয়সী মেয়েকে এক প্রবাসী দম্পতির কাছে দত্তক দেওয়া হয়েছে বলে কিশোরীর এক স্বজন জানিয়েছেন।

তৌফিক ইমরোজ খালিদী
প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক