১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩ আশ্বিন ১৪৩৩

রাজশাহীতে বিস্ফোরণ: পুলিশের অভিযানে বোমা উদ্ধার

রাজশাহীর পুঠিয়ায় ‘বোমা তৈরির সময়’ বিস্ফোরণের পর পৃথক দুটি অভিযান চালিয়ে হাতবোমা ও বেশ কিছু উগ্র মতবাদের বই উদ্ধার করছে পুলিশ। 

রাজশাহী প্রতিনিধি

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 06 Nov 2016, 05:30 PM

Updated : 11 Oct 2022, 09:00 PM

Image
আব্দুল খালেক রাজশাহী মেডিকেলে চিকিৎসাধীন

পুরানো খবর:

পুঠিয়ায় ‘বোমা তৈরির সময়’ বিস্ফোরণে যুবক আহত

পুঠিয়া থানার ওসি হাফিজুর রহমান হাফিজ জানান, শনিবার গভীর রাতে উপজেলার তাড়াশ ও চারঘাট গ্রামে এ অভিযান চালানো হয়।

একই রাতে এর আগে তাড়াশ গ্রামের একটি বাড়িতে ‘বোমা তৈরির সময়’ বিস্ফোরণে আব্দুল খালেক নামের এক যুবকের দুই হাতের কবজি উড়ে যায়।

চারঘাট উপজেলার গোপালপুর গ্রামের খালেক আবু বক্করের ছেলে খালেককে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পুলিশ হেফাজতে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

ওসি বলছেন, খালেক জেএমবির সঙ্গে জড়িত বলে সন্দেহ করা হচ্ছে।

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে তিনি বলেন, তাড়াশ গ্রামের যে বাড়িতে বোমা বানানোর সময় বিস্ফোরণে খালেক আহত হন সেই বাড়িতে রাতেই তল্লাশি চালায় পুলিশ।

“সেখান থেকে পাঁচটি হাতেবোমা ও পাঁটিটি জিহাদি বই ও বোমা তৈরি বেশ কিছু সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়েছে।”

এরপর চারঘাটের গোপালপুর গ্রামে খালেকের বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে তিনটি পেট্রোল বোমাসহ ১০টি হাতবোমা, পাঁচটি চাপাতি ও দুইটি চাইনিজ কুড়াল উদ্ধারের কথাও জানান ওসি।

Image
আব্দুল খালেক রাজশাহী মেডিকেলে চিকিৎসাধীন

আব্দুল খালেক রাজশাহী মেডিকেলে চিকিৎসাধীন

ওসি বলেন, শনিবার সন্ধ্যায় তাড়াশ গ্রামের সোহরাব হোসেনের মেয়ের জামাই বুলবুল ও খালেকসহ তিন যুবক তাদের বাড়ি যান। ওই সময় বুলবুলের শাশুড়ি ছাড়া ওই বাড়িতে আর কেউ ছিল না।

“রাতে একটি ঘরে বসে বোমা তৈরির সময় সময় বিস্ফোরণ ঘটলে খালেকের দুই হাতের কবজি উড়ে যায়। ঘটনার পরপরই বুলবুল ও অপর আর একজন পালিয়ে যায়।”

পরে স্থানীয়রা বিস্ফোরণের শব্দ শুনে থানায় খবর দিলে পুলিশ গিয়ে খালেককে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যায় বলে জানান তিনি।

ওসি হাফিজুর জানান, এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য বুলবুলের শাশুড়ি মাতয়ারা বেগমকে আটক করা হয়েছে। বুলবুল এবং তার সঙ্গে পালিয়ে যাওয়া যুবককে ধরতে পুলিশের অভিযান শুরু হয়েছে।