শরীয়তপুরে কিশোরী খুন: দুলাভাইয়ের ‘দোষ স্বীকার’
শরীয়তপুরের গোসাইরহাটে ১২ বছর বয়সী এক কিশোরীকে হত্যার ঘটনায় গ্রেপ্তার তার দুলাভাই আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
গোসাইরহাট থানার ওসি মো. মোফাজ্জল হোসেন জানান, মিজান বাঘা নামের ওই ব্যক্তিকে শুক্রবার শরীয়তপুরের প্রধান বিচারিক হাকিম আদালতে হাজির করা হলে তিনি বিচারকের কাছে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দেন।
“মিজান বাঘাকে জিজ্ঞাসাবাদ করার পর সে তার শ্যালিকা সাহিদা আক্তার নিপাকে গলা টিপে হত্যার কথা স্বীকার করে। আজ আদালত ১৬৪ ধারায় তার জবানবন্দি রেকর্ড করেছে।”
পুলিশ জানায়, গোসাইরহাট উপজেলার পূর্ব লাকাচুয়া গ্রামের বাসিন্দা মিজান বাঘার সঙ্গে ঝগড়া করে কয়েক দিন আগে একই গ্রামে বাপের বাড়ি চলে যান। তার স্ত্রী আসমা বেগম। এরপর বৃহস্পতিবার সকালে আসমার খালাতো বোন নিপা ফুফুর বাড়ির যাওয়ার উদ্দেশ্যে বের হয়ে নিখোঁজ হয়।
ঘণ্টা দুই পর বাড়ি থেকে প্রায় এক কিলোমিটার দূরে একটি খালের ভেতর নিপার লাশ দেখতে পেয়ে স্থানীয়রা পুলিশে খবর দেয়। পরে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে শরীয়তপুর সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।
পরে খালাত বোনের জামাই মিজান বাঘাকে পুলিশ আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করলে তিনি ‘স্ত্রীর ওপর রাগ থেকে’ নিপাকে গলাটিপে হত্যার কথা ‘স্বীকার করেন’ বলে জানান ওসি।
এ ঘটনায় নিপার বাবা জৈনদ্দিন সরদার বাদী হয়ে গোসাইরহাট থানায় মামলা করেছেন।
তিনি বলেন, “আমার মেয়ের সাথে তো কোনো বিরোধ ছিল না। কেন আমার মেয়েকে সে হত্যা করেছে? আমি এর বিচার চাই।”
