Published : 17 Jun 2016, 11:54 AM
সোনাইমুড়ি থানার ওসি কাজী হানিফুল ইসলাম জানান, বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ১২টার দিকে উপজেলার বটগ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত আসিফ উদ্দিন ওই গ্রামের সাহাব উদ্দিন মাস্টারের ছেলে। নোয়াখালী বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের গণিত বিভাগের সম্মান দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র ছিলেন তিনি।
সাহাব উদ্দিন বলেন, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় তার ছোট ছেলে শাওনের মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেয় দক্ষিণ আবিরপাড়া গ্রামের বখাটে শাহেদ ও শান্ত নামে দুই ভাই। শাওনের চিৎকারে আসিফ ও স্থানীয় লোকজন গিয়ে শাহেদ ও শান্তকে পিটুনি দেয়।
“গভীর রাতে শাহেদ ও শান্তসহ ৮-১০ জন অস্ত্রধারী আমার বাড়ি এসে ঘরের দরজা ভেঙে অস্ত্রের মুখে সাবাইকে জিম্মি করে। আসিফের বুকে পিস্তল ঠেকিয়ে গুলি করে শাহেদ ও শান্ত।”
এতে ঘটনাস্থলেই মারা যান কলেজছাত্র আসিফ। এলাকার লোকজন হামলাকারীদের প্রতিরোধের চেষ্টা করলে এলোপাতাড়ি গুলিতে আরও তিনজন গুরুতর আহত হন বলে ওসি হানিফুল জানান।
আহতদের মধ্যে মো. মনির হোসেনকে নোয়াখালী সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আর মোহন ও বেলাল হোসেন নামে দুজনকে ভর্তি করা হয়েছে একটি বেসরকারি হাসপাতালে।
এদিকে ছেলের শোকে অসুস্থ হয়ে পড়ায় আসিফের মা হাছিনা আক্তারকে নোয়াখালী সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তার অবস্থা স্থিতিশীল বলে জানিয়েছেন চিকিৎসক জহিরুল ইসলাম।
অপরদিকে শুক্রবার সকালে শাহেদ ও শান্তর বাড়িতে অভিযান চালিয়ে গোলাবারুদ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
জেলা গোয়েন্দা পুলিশের ওসি আতাউর রহমান বলেন, দক্ষিণ আবিরপাড়া গ্রামে জাফরের বাড়িতে অভিযান চালিয়ে একটি এলজি ও হাতবোমা তৈরির সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়েছে। তবে জাফরের ছেলে শাহেদ ও শান্ত পালিয়ে যাওয়ায় পুলিশ তাদের আটক করতে পারেনি।