গোসাইরহাটে স্বর্ণের দোকানে ডাকাতি, আহত ১৫
শরীয়তপুরের গোসাইরহাট উপজেলায় স্বর্ণের দোকানসহ সাতটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে ডাকাতি হয়েছে।
থানা থেকে একশ মিটার দূরে দাসের জঙ্গল বাজারে সোমবার রাতে ওই ডাকাতির সময় একজন গুলিবিদ্ধসহ অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছে।
আহতদের গোসাইরহাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ী সুধাংশু মালো জানান, রাতে ৪০/৫০ জনের একটি সংঘবদ্ধ সশস্ত্র ডাকাতদল বাজারের আজমের চায়ের দোকানে চা-সিগেরেট খেয়ে আজমকে হাত-পা বেঁধে নগদ চার হাজার টাকা ও কয়েক কার্টন সিগারেট লুট করে।
“পরে ডকাতদল টহলরত পুলিশ কনস্টেবল মাহমুদুল হাসান ও নুরুল আমিনকে অস্ত্রের মুখে হাত-পা বেঁধে ফেলে।”
এরপর ডাকাতরা আর কে গিনি হাউজ, অলংকার নিকেতন, গোসাইরহাট ছিলা হাউজ, অলংকার ভবন, অরুণ স্টোর, ভাই ভাই টেলিকমের দোকানের তালা ভেঙে মালামাল লুট করে নিয়ে যায় বলে জানান সুধাংশু।
সুধাংশু আরও বলেন, এ সময় ৭/৮ জন ব্যবসায়ী ডাকাতদের প্রতিরোধের চেষ্টা করলে তারা ব্যবসায়ী সুকোমল কর্মকারকে গুলি করে।
এছাড়া অন্তত ১৫ জনকে তারা পিটিয়েও আহত করে বলে জানান তিনি।
তিনি বলেন, ডাকাতরা প্রায় ১০০ ভরি স্বর্ণালংকার, শতাধিক মোবাইল ফোন সেট, ৫০ কার্টন বিভিন্ন ব্রান্ডের সিগারেট, নগদ ২০ লক্ষাধিক টাকা সহ প্রায় কোটি টাকার মালামাল লুট করে।
গোসাইরহাট থানার ওসি মোফাজ্জেল হোসেন বলেন, পুলিশকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে হাত-পা বেঁধে দাসের জংগল বাজারে ৫০/৬০ জনের একটি সশস্ত্র ডাকাতদল চারটি স্বর্ণের দোকানসহ সাতটি দোকানে ডাকাতি করেছে।
“এ ঘটনায় মামলা দায়েরের প্রস্ততি চলছে। আশা করি খুব শিগগিরই মালামালসহ ডাকাতদের গ্রেপ্তার করতে পারব।”
