দুর্ভোগে দিনাজপুর ডায়াবেটিক হাসপাতালের রোগীরা
বেতন-ভাতা বৃদ্ধির দাবিতে দিনাজপুর ডায়াবেটিস হাসপাতালের চিকিৎসকদের কর্মবিরতি চতুর্থ দিনে গড়িয়েছে।
জরুরি চিকিৎসা ছাড়া সকল সেবা বন্ধ থাকায় চরম দুর্ভোগে পড়েছেন চিকিৎসা নিতে আসা রোগীরা।
শনিবার থেকে এই কর্মবিরতি শুরু হলেও রোববার দিনাজপুর প্রেস ক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে চিকিৎসকরা কর্মসূচির কথা জানান।
হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা মাহমুদা বেগম বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “একজন ডায়াবেটিস রোগীর যে কোনো সময় জরুরি চিকিৎসা প্রয়োজন হতে পারে।
“তাদের জিম্মি করে চিকিৎসকের কর্মবিরতি অমানবিক আচরণ।”
এদিকে সেবা না পেয়ে এখানে ভর্তি রোগীরা বাধ্য হচ্ছেন হাসপাতাল ছেড়ে যেতে। গত চার দিনে চিকিৎসা নিতে আসা ১১ জন হাসপাতাল ছেড়ে চলে গেছে বলে জানায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে দিনাজপুর ডায়াবেটিক অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক সফিকুল হক ছুটু বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, এখানে ভর্তি ২৬ জনের মধ্যে চিকিৎসা না পেয়ে ১১ জন হাসপাতাল ছেড়ে চলে গেছে।
“চিকিৎসা না পেলে রোগীরা চলে যাবে এটাই স্বাভাবিক।”
ছুটু আরও বলেন, এই হাসপাতালের নিয়মিত রোগীর সংখ্যা প্রায় ৬৫ হাজার। দিনাজপুরসহ আশপাশের জেলা থেকে এখানে প্রতিদিন গড়ে সাড়ে ৪০০ থেকে ৫০০ জন চিকিৎসা নিতে আসেন।
“কিন্তু চিকিৎসকদের কর্মবিরতিতে পুরো চিকিৎসা সেবা বন্ধ রয়েছে।”
অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক আবু রায়হান মিয়া হাসপাতাল পরিদর্শন করেন বলে জানান তিনি।
সরকারের বেতন স্কেল ও চাকরি নীতিমালার সঙ্গে সঙ্গতি রেখে বেতন-ভাতা নির্ধারণের দাবিতে গত শনিবার থেকে দিনাজপুর ডায়াবেটিক হাসপাতালের চিকিৎসকরা অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতি শুরু করেন।
