২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩

ঘন কুয়াশায় ঢেকেছে শেরপুর, শীতে কাবু মানুষ

শেরপুরে কোনো আবহাওয়া অফিস না থাকায় দিনের তাপমাত্রাসহ আবহাওয়ার গতি প্রকৃতি সম্পর্কে জানা সম্ভব হচ্ছে না।

ঘন কুয়াশায় ঢেকেছে শেরপুর, শীতে কাবু মানুষ

বুধবার সকালে কুয়াশাচ্ছন্ন শেরপুর পৌরসভার কামারিয়া মহল্লার একটি সড়ক।

শেরপুর প্রতিনিধি

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 10 Jan 2024, 11:34 AM

Updated : 10 Jan 2024, 11:34 AM

ঘন কুয়াশার চাদরে ঢাকা পড়েছে সীমান্তবর্তী জেলা শেরপুর। একই সঙ্গে কনকনে হিমেল হাওয়ায় শীতে কাবু হয়ে পড়ছেন মানুষ।

কুয়াশার কারণে সড়ক ও মহাসড়কে দিনের বেলায় হেডলাইট জ্বালিয়ে ধীর গতিতে চলছে যানবাহন। তীব্র ঠান্ডায় বিপাকে পড়েছেন দরিদ্র ও খেটে খাওয়া স্বল্প আয়ের মানুষ।

শেরপুরে কোনো আবহাওয়া অফিস না থাকায় দিনের তাপমাত্রাসহ আবহাওয়ার গতি প্রকৃতি সম্পর্কে জানা সম্ভব হচ্ছে না।

তবে বুধবার ভোর ৫টা থেকে সকাল ৯টা পর্যন্ত ঘন কুয়াশায় এই জনপদের সামান্য দূরের জিনিসও ঝাপসা দেখাচ্ছিল। ভোরে পেটের তাগিদে শ্রমজীবী মানুষ কাজের সন্ধানে ছুটে চললেও তীব্র শীতে তাদের স্বাভাবিক কাজকর্ম ব্যাহত হতে দেখা গেছে।

Image

বুধবার সকালে কুয়াশায় ঢাকা শেরপুর পৌরসভার শেখহাটি মহল্লার বোরো ধানের বীজতলা ও কৃষি ক্ষেত।

শেরপুর পৌরসভার শেখহাটি মহল্লার সুরুজ আলী, মিস্টার আলী ও আব্দুল কুদ্দুস বলেন, বুধবার সকালে অন্যান্য দিনের তুলনায় বেশি কুয়াশা পড়েছে। সামান্য দূরের জিনিসও দৃষ্টিগোচর হচ্ছে না। কনকনে ঠান্ডা বাতাসের কারণে শীতের মাত্রাও বেড়েছে।

এমন শীতে সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন কৃষি শ্রমিকরা। তারা জানান, ঠান্ডা পানি ও কাদায় নেমে বোরো ধানের চারা রোপণ এবং বীজতলা থেকে ধানের চারা তোলা ও বোরো ধানের ক্ষেত তৈরির কাজ করা খুবই মুশকিল হয়ে পড়েছে।

শেরপুরে শীতের তীব্রতা বাড়ার কথা জানিয়ে জেলা প্রশাসক আব্দুল্লাহ আল খায়রুম বলেন, “শীত মোকাবেলায় শীতার্ত মানুষের মধ্যে কম্বল বিতরণ করা হচ্ছে।”