Published : 25 Feb 2026, 09:16 PM
হাসপাতাল প্রাঙ্গণে থালায় সাজানো আছে সরবত, খেজুর, খিচুড়িসহ নানা পদের খাবার। ইফতারের আগেই স্থানীয় নিম্ন আয়ের মানুষরা দল বেঁধে প্রাঙ্গনে প্রবেশ করে থালার সামনে বসে পড়ছেন। সময় হলে তৃপ্তি সহকারে ইফতার করছেন।
গত তিন বছর ধরে এমন চিত্রই দেখা যাচ্ছে বগুড়া শহরের দত্তবাড়িতে শহীদ জিয়াউর রহমান শিশু হাসপাতালের প্রাঙ্গণে।
হাসপাতালের সদস্য সচিব সৈয়দ আমিনুল হক দেওয়ান সজল বলেন, “২০২৪ সালে লন্ডন থেকে তারেক রহমান এই ইফতারের আয়োজনের কথা বলেন। তখন থেকে ধারাবাহিকভাবে মাসব্যাপী তিন শতাধিক নারী ও পুরুষ এই আয়োজনে অংশ নিচ্ছেন।
“এই ইফতারে অংশ নেওয়া প্রতিটি মানুষই আমাদের অতিথি। আর এই আয়োজনের সকল পৃষ্ঠপোষকতা করছেন তারেক রহমান নিজে।”
ইফতার করতে আসা বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলার বন্তেঘড়ি গ্রামের অটোরিকশা (সিএনজি) চালক মাহিদুল ইসলাম বলেন তিন বছর ধরে তিনি এখানে নিয়মিত ইফতার করেন।
তিনি বলেন, “সারাদিন রোজা রাখার পর গাড়ি চালানোর পর ক্লান্ত শরীরে এখানে এসে ইফতারে অংশ নেই। ভাল ইফতারের আয়োজন করা হয় এখানে দেয়। পেট ভরে খেয়ে আবার গাড়ি চালাবার যাই।”
ফেরি করে কসমেটিক বিক্রি করেন সারিয়াকান্দির পৌরসভার আনন্দবাড়ি মহল্লার মাহফুজুল মিয়া। তিনি বলেন, “হামি যেদিন সুযোগ পাই, এটি ইফতার করি। ৭০-৮০ টাকা লাগে ইফতার কিনতে- সেডা এটি লাগে না। ইফতার করে নামাজ পড়ে চলে যাই।”
দিনমজুর জোব্বার আলী বলেন, “দিনের বেলা পাশের গলিতে কাজ করি। ইফতারের আগে এখানে চলে আসি। ইফতারে ট্যাকা খরচ করা লাগে না।”
ভিক্ষুক রাবেয়া বেগম বলেন, “তারেক জিয়া এটি ইফতারের ব্যবস্থা করছে। জানার পর এটি আসে ইফতার করি। আল্লাহ যেন তারেকের ভাল করে।”
এখানে একপাশে পুরুষরা, অন্যপাশে নারীরা ইফতারের শামিল হোন। ইফতার শেষে নামাজেরও রয়েছে নারী-পুরুষের আলাদা সুব্যবস্থা।
মাসব্যাপী এই ইফতার কর্মসূচির তদারকি করেন জেলা বিএনপির সভাপতি রেজাউল করিম বাদশা।
তিনি বলেন, তারেক রহমান গণমানুষের নেতা। তিনি প্রবাস থেকেই এই আয়োজন শুরু করেন। বর্তমানেও অব্যাহত রয়েছে। ভবিষ্যতে এর ধারাবাহিকতা অব্যাহত থাকবে।
বগুড়া প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ও বিএনপি মিডিয়া সেলের রংপুর ও রাজশাহী বিভাগীয় সমন্বয়ক কালাম আজাদ বলেন, “বিএনপি সবসময় সমাজের অবহেলিত মানুষের জন্য কাজ করে। এভাবেই তারেক রহমানের নেতৃত্ব বাংলাদেশের সকল শ্রেণির মানুষের মুখে হাসি ফুটবে।”