১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪ আশ্বিন ১৪৩৩

নারায়ণগঞ্জে বসুন্ধরার কারখানায় বিস্ফোরণে দগ্ধ ১০ শ্রমিক হাসপাতালে

আহতদের শরীরের অন্তত ১৫ থেকে ২০ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে বলে জানান জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্ল্যাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের চিকিৎসক।

নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 24 Nov 2024, 02:43 PM

Updated : 10 Sep 2026, 12:24 PM

নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলায় বসুন্ধরা গ্রুপের একটি কারখানায় বিস্ফোরণের ঘটনায় অন্তত ১০ জন শ্রমিক দগ্ধ হয়েছেন৷

তারা রাজধানীর জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্ল্যাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন রয়েছেন বলে জানিয়েছেন ইনস্টিটিউটের আবাসিক সার্জন ডা. শাওন বিন রহমান। 

রোববার সকাল ১০টার দিকে সোনারগাঁ উপজেলার মেঘনাঘাট এলাকায় কারখানাটির একটি ইউনিটে এ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে বলে জানান ঘটনাস্থলে যাওয়া সোনারগাঁ থানা পুলিশের এসআই আব্দুল জলিল। 

তিনি বলেন, বিস্ফোরণ থেকে কারখানায় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটলে তাৎক্ষণিক তাদের নিজস্ব ফায়ার ইউনিট আগুন নিভিয়ে ফেলে। এ ঘটনায় দগ্ধ ১০ জনকে রাজধানীর জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনিস্টিটিউটে পাঠানো হয়েছে। 

দগ্ধরা হলেন- মো. আরিফ (২৭), মো. হাসান (২২), বিপ্লব (২৮), মো. নূর আলম (২৩), মো. তাহমিদ শেখ (৪০),  মো. তন্ময় (২৫), চঞ্চল (২৬),  আল আমিন (২৪), মো. হাসান (১৮) ও মো. শাওন (২০)৷

ডা. শাওন বিন রহমান বলেন, “বিস্ফোরণে সৃষ্ট আগুনে দগ্ধ দশজন শ্রমিক হাসপাতালে ভর্তি আছেন৷ তাদের শরীরের অন্তত ১৫ থেকে ২০ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে।”

ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্সের (নারায়ণগঞ্জ-২) উপসহকারী পরিচালক আব্দুল মন্নান জানান, “বসুন্ধরা গ্রুপের কারখানাটি থেকে আগুনের খবর জানানো হয়৷ কিন্তু ফায়ার ইউনিটের রওয়ানা হবার আগেই আবার আগুন নিভে গেছে বলে জানানো হয়৷ 

“কিন্তু তখনও বিস্ফোরণ বা দগ্ধের বিষয়টি জানানো হয়নি৷  ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট পরে ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়েছে৷ প্রাথমিক তদন্তের পর বিস্তারিত জানা যাবে৷”

পরে সোনারগাঁ ফায়ার স্টেশনের স্টেশন অফিসার সুজন কুমার হালদার বলেন, “বসুন্ধরা পেপার মিলস লিমিটেডের ইউনিট-১ এর ভেতরে একাধিক প্রতিষ্ঠান রয়েছে৷ কারখানাটির এয়ার ফ্রেশনার তৈরির অংশে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে৷ কারখানাটির ব়্যাপিং মেশিন ওভারহিট হয়ে বিস্ফোরণের ঘটনাটি ঘটে৷ তখন সেখানে থাকা এয়ার ফ্রেশনারের বোতলগুলোও বিস্ফোরিত হলে শ্রমিকরা দগ্ধ হন৷”

বিস্ফোরণের ঘটনার বিষয়ে জানতে কারখানাটির কল সেন্টারে যোগাযোগ করা হলেও তারা এ বিষয়ে কিছু বলতে রাজি হননি।