১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২ আশ্বিন ১৪৩৩

মাগুরা বিএনপি কার্যালয়ে হামলা: ক্রিকেটার সাকিবের বাবার বিরুদ্ধে মামলা

এক নম্বর আসামি খন্দকার মাসরুর রেজা ঘটনাস্থলে উপস্থিত থেকে বিএনপি কার্যালয় পুড়িয়ে দেওয়ার হুকুম দিয়েছেন বলে মামলায় বলা হয়েছে।

মাগুরা প্রতিনিধি

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 26 May 2025, 08:42 PM

Updated : 26 Aug 2026, 12:47 PM

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলার সময় ৪ অগাস্ট মাগুরা জেলা বিএনপির কার্যালয়ে হামলা-ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনায় তারকা ক্রিকেটার সাকিব আল হাসানের বাবাসহ ৭৯ জনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। 

মাগুরা সদর থানার ওসি মো. আইয়ুব আলী বলেন, ফৌজদারি কার্যবিধি ও বিস্ফোরক আইনের বিভিন্ন ধারায় মামলাটি করেছেন মো. আবু তাহের নামের এক ব্যক্তি। ১৮ মে করা মামলার আসামিদের কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ। মামলার তদন্ত চলছে।  

১৮ মে মামলাটি হলেও মঙ্গলবার বিষয়টি জানাজানি হয়। মামলায় আওয়ামী লীগের সাবেক সংসদ সদস্য সাকিব আল হাসানের বাবা খন্দকার মাসরুর রেজাকে এক নম্বরে রেখে ৭৯ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। এ ছাড়া মামলায় অজ্ঞাত আরও ১৫০ থেকে ২০০ জনকে আসামি রাখা হয়েছে।

আসামিদের মধ্যে জেলা যুবলীগের আহ্বায়ক ফজলুর রহমান, জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শাখারুল ইসলাম শাকিল, পৌর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মকবুল হোসেন, জেলা আওয়ামী লীগের প্রচার সম্পাদক শেখ রেজাউল ইসলাম, জেলা যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক সাকিব আল হাসান তুহিনের নাম রয়েছে। 

মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, আসামিরা ৪ অগাস্ট বেলা ৩টার দিকে হাতবোমা, পিস্তল, শটগান, বন্দুক, রামদা, ছ্যানদা, চাপাতি, চায়নিজ কুড়াল, লোহার রড, শাবল নিয়ে শহরের ইসলামপুর পাড়ায় অবস্থিত বিএনপি কার্যালয়ে হামলা চালায়। 

আসামিরা কার্যালয়ের ভেতরে থাকা চেয়ার, টেবিল, আলমারিসহ বিভিন্ন আসবাবপত্র ভাঙচুর করেন। পরে পেট্রোল ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেন। 

এ সময় কার্যালয়ের পশ্চিম পাশে অবস্থিত মাগুরা জেলা বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক আহসান হাবিব কিশোরের বসতবাড়িতে ভাঙচুর ও লুটপাট চালানো হয়। আসামিরা পরস্পর সংঘবদ্ধ সন্ত্রাসী। তারা সবাই আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ ও স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতাকর্মী বলে মামলায় বলা হয়েছে। 

এতে আরও বলা হয়েছে, এক নম্বর আসামি খন্দকার মাসরুর রেজা ঘটনাস্থলে উপস্থিত থেকে বিএনপি কার্যালয় পুড়িয়ে দেওয়ার হুকুম দিয়েছেন। 

মামলার বাদী মো. আবু তাহের (৩১) সদর উপজেলার পাথরা গ্রামের বাসিন্দা। তিনি নিজেকে বিএনপির একজন কর্মী এবং ওই কার্যালয়ের ‘তত্ত্বাবধায়ক’ বলেছেন।