কুষ্টিয়ায় বড় ভাইকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ, পরিবারের দাবি ভিন্ন
বাঁশ কাটতে গিয়ে নিজের হাসুয়ার আঘাতে জখম হয়ে বড় ভাই মারা যান বলে দাবি স্বজনদের।
কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলায় জমি নিয়ে বিরোধের জেরে হাসুয়া দিয়ে কুপিয়ে বড় ভাইকে হত্যার অভিযোগ উঠেছে ছোট ভাইয়ের বিরুদ্ধে। তবে পরিবারের দাবি, বাঁশ কাটতে গিয়ে নিজের হাসুয়ার আঘাতে জখম হয়ে মারা যান তিনি।
শুক্রবার দুপুরের দিকে উপজেলার হোগলবাড়ীয়া ইউনিয়নের তাজপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছেন দৌলতপুর থানার ওসি খালেদুর রহমান।
নিহত রাসেল হাসান (৩০) ওই গ্রামের বাসিন্দা আহাদ আলীর বড় ছেলে।
এ ঘটনায় রাসেলের স্ত্রী শিরিনা আক্তার (৩০) বাদী হয়ে ছোট ভাই ইমরান হোসেনকে (২৫) আসামি করে মামলা করেছেন।
মামলায় বলা হয়েছে, শুক্রবার দুপুরের দিকে পৈতৃক জমি নিয়ে দুই ভাইয়ের মধ্যে বাগবিতণ্ডা হয়। এক পর্যায়ে ইমরান হাসুয়া দিয়ে বড় ভাই রাসেলের পায়ে আঘাত করেন। গুরুতর অবস্থায় রাসেলকে উদ্ধার করে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হয়।
অবস্থার অবনতি হলে তাকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। তবে রাজশাহী পৌঁছানোর আগেই পথেই তার মৃত্যু হয়।
যদিও এজাহারে উল্লেখিত হাসপাতালে নেওয়ার তথ্যের কোনো সত্যতা নেই বলে জানিয়েছেন কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে আবাসিক মেডিকেল অফিসার ইকবাল হাসান।
হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে প্রথম দিকে নিহতের পরিবারের দাবি ছিল- রাসেল বাঁশ বাগানে বাঁশ কাটতে গিয়ে আঘাত পেয়ে গুরুতর জখম হন। পরে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে তার মৃত্যু হয়।
ওসি খালেদুর রহমান বলেন, খবর পেয়ে পেয়ে শনিবার সকালে ঘটনাস্থল থেকে লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় নিহতের স্ত্রী হত্যা মামলা করেছে। আসামিকে গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।
এদিকে তিন দিনে দৌলতপুরে তিনটি হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় সাধারণ মানুষের মধ্যে চরম উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।
